মুকুল-সব্যসাচীরা কি ঢ্যাঁড়শ-মূলো আর শুভেন্দু কুমড়ো! পুজো উদ্বোধনে গিয়ে মদন মিত্রের কথায় জল্পনা
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের (lojsabha election) পরে তৃণমূলের (trinamool congress) সাংসদ থেকে বিধায়ক অনেকেই যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে (bjp)। বিধানসভা নির্বাচনের (assembly election) পরেই আবার তাঁরা ব্যাক টু দ্য প্যাভেলিয়ন।
২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের (lojsabha election) পরে তৃণমূলের (trinamool congress) সাংসদ থেকে বিধায়ক অনেকেই যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে (bjp)। বিধানসভা নির্বাচনের (assembly election) পরেই আবার তাঁরা ব্যাক টু দ্য প্যাভেলিয়ন। অনেকে বিষয়টিকে বাপের বাড়ি, শ্বশুর বাড়ি বলেও কটাক্ষ করছেন। তবে দলে ফেরাদের নিয়ে তৃণমূলের একটা বড় অংশই যে খুশি নয়, তাও সামনে এসে পড়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন মদন মিত্র।

পুজোর উদ্বোধনে মদন মিত্র
রবিবার পুজোর উদ্বোধন করতে মদন মিত্র গিয়েছিলেন বনগাঁর শিমূলতলা আয়রন গেট স্পোর্টিং ক্লাবে। সেখানে তিনি ফিটে কেটে পুজোর উদ্বোধন করে বলেন. পুজোর উদ্যোক্তা ডাকু এবং জ্যোৎস্নার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বেশ পুরনো। তিনি বলেন, ডাকু এখন চেয়ারম্যান নেই। সেই কারণে আগেকার সম্পর্ক তো আর নষ্ট হয়ে যেতে পারে না। সেই কারণে তাঁর সেখানে যাওয়া বলেও মন্তব্য করেন তিনি। প্রসঙ্গত এই পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হলেন, বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান শঙ্কর আঢ্য। তাঁকের মদন মিত্র ডাকু বলে সম্বোধন করেছেন। পাশাপাশি তিনি অনুগামী শঙ্কর আঢ্যকে বলেছেন মন খারাপ না করতে। কেননা তিনি (মদন) পঞ্চমীতে মায়ের কাছে প্রার্থনা করছেন সবাইকে সাফল্য এনে দিতে।

পুজোর মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক বার্তা
মদন মিত্র থাকবেন, আর সেখানে রাজনৈতিক শ্লেষ থাকবে না তা তো হতে পারে না। এদিন তিনি নিজের বক্তব্যে বর্তমানে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ শুভেন্দু অধিকারীকে যেমন কটাক্ষ করেছেন, আবার যাঁরা দল থেকে বিজেপিতে গিয়ে ফিরে এসেছেন তাঁদেরকেও তীব্র কটাক্ষে বিদ্ধ করেছেন। এরজন্য তিনি গানও ধরেন। সেখানে তিনি সুর করে বলেছেন, কুমড়োগুলো ফুলো ফুলো, অনের দামে বিক্রি হল, সঙ্গে ছিল ঢ্যাঁড়শ-মূলো, ওরা সব ব্যাক করল। তবে বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, মদন মিত্র শুভেন্দু অধিকারীকে নাম না করে কুমড়ো বলে কটাক্ষ করেছেন। আর যাঁরা দলে ফেরত এসেছে যেমন মুকুল রায়, শুভ্রাংশু রায়, সব্যসাচী দত্তরা ঢ্যাঁড়শ মূলো।
মদন মিত্রের গানের লাইন অনুযায়ী, ঢ্যাঁড়শগুলো আগের তুলনায় স্লিম হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে সেকথা ধরতে গেলে, যাঁরা তৃণমূলে ফিরে এসেছেন, তাঁরা আর আগের মতো গুরুত্ব পাচ্ছেন না।

বিজেপিকে নিশানা
তবে তিনি এদিনের মঞ্চ থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কামারহাটির বিধায়ক বলেছেন, তিনি বাংলার ক্রাশ হতে চান না। তবে বিজেপি যদি বনগাঁয় দাঙ্গা করে, তাহলে তিনি ত্রাস হতে চান। এসবের মধ্যে এদিন মদন মিত্রের গলায় শোনা গিয়েছে ওহ লাভলি গানটিও।

ঘরে ফেরাদের নিয়ে বিভক্ত তৃণমূল
এদিন মদন মিত্রের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যাঁরা ভোটের আগে চলে গিয়ে, ভোটের পরে ফিরছেন, তাঁদের নিয়ে অন্য অনেকের মতো তিনিও সন্তুষ্ট নন। সম্প্রতি বিধানসভায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘরে গিয়ে তৃণমূলের পতাকা ফের হাতে তুলে নিয়েছেন সব্যসাচী দত্ত। যা নিয়ে দমদম, রাজারহাট এলাকা অনেকেই সন্তুষ্ট নন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন, দমদমের সাংসদ সৌগত রায়, মন্ত্রী সুজিত বসু এবং বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়।












Click it and Unblock the Notifications