আড়াই কোটি নাকি আড়াই হাজার কোটি! নদীর জলে কত টাকা ডোবানো? শুভেন্দু ইস্যুতে বিস্ফোরক মদন
নারদ মামলায় স্বস্তি পেয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। হাসপাতাল থেকে ছাড়াও পেয়েছেন। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই ফের পথে মদন মিত্র। করোনা মোকাবিলায় রাস্তায় নেমে পড়েছেন তিনি। একটু সুস্থ বোধ হওয়াতে কামারহাটি-সহ একাধিক এলা
নারদ মামলায় স্বস্তি পেয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। হাসপাতাল থেকে ছাড়াও পেয়েছেন। আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েই ফের পথে মদন মিত্র। করোনা মোকাবিলায় রাস্তায় নেমে পড়েছেন তিনি। একটু সুস্থ বোধ হওয়াতে কামারহাটি-সহ একাধিক এলাকায় করোনা রোগীদের সাহায্য করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
আর তা করতে গিয়ে ফের একবার শুভেন্দু অধিকারীকে তীব্র আক্রমণ করলেন মদণ মিত্র। কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎএর অভিযোগ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে! আর তা ঘিরে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি।

কোটি টাকার আত্মসাৎ-এর অভিযোগ
একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ। মদন মিত্র বলেণ, "শুভেন্দুর আসলে উচ্চারণ করতে সমস্যা হচ্ছে, হলদি নদীর জলে ও কত হাজার কোটি ডুবিয়ে রেখেছে। আড়াই লাখ, আড়াই কোটি নাকি আড়াই হাজার কোটি! শুভেন্দুর মুখে ওসব ন্যায়ের কথা মানায় না। ওর যে কো-অপারেটিভগুলো আছে, তাদের একটু ঝেড়ে মুছে দেখা হোক না, কত মাইনা বেরোয়!" ! শুধু তাই নয়, মুখ্যসচিবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়ার পর ফের অধিকারী পুত্রকে নিশানা করেন মদন। তিনি বলেন, "আমাদের খেলাটা সবে শুরু হয়েছে। বলি শুভেন্দু, একটু অপেক্ষা করুন, আপনাদের খেলা শুরু হবে। কো-অপারেটিভ আর এমপির খেলা। হলদিয়া ছেড়ে কেন জাপানি কোম্পানিগুলো কেন পালিয়ে গেল তা কি আর বলে দিতে হয়! আরে আপনি ডাকাত না ডাকাতদের সর্দার, সেটা তো বিধানসভায় বুঝে নেব।"

প্রধানমন্ত্রীকেও আক্রমণ মদনের
শুধুমাত্র অধিকারী পুত্রই নন, মদনের নিশানায় বাদ যাননি প্রধানমন্ত্রীও। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের খতিয়ান তুলে ধরতে নির্বাচনের অনতিপরেই বঙ্গে আসে কেন্দ্রের প্রতিনিধি দল। পাশাপাশি, কোভিড মোকাবিলায় মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতিরিক্ত টিকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেও কোনও উত্তর আসেনি বলে অভিযোগ। সেই প্রসঙ্গেই বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা বলেন,"কেন্দ্রে যিনি প্রধানমন্ত্রী, তিনি বাংলায় হঠাৎ এসে মনে করেন দাড়ি রাখলেই বুঝি রবীন্দ্রনাথ হওয়া যায়। তাঁকে যে লোকে রবীন্দ্রনাথ না ভেবে খগেন্দ্রনাথ ভাবছে সেটা উনি বোঝেননা। কেন্দ্র ভ্যাকসিন না পাঠিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠায়। তারা আবার রাইফেল দিয়ে গুলি চালায়। কেন্দ্রে যাঁরা আছেন, জানিয়ে রাখি, এ বার আমাদের টার্গেট 'দিল্লি চলো'।"

মুখ্যসচিবের প্রশংসা মদনের মুখে
আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে টানাপোড়েন। যদিও এই অবস্থায় মুখ্যসচিবের পদ থেকে ইস্তফা নিয়েছেন আলাপন। মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ উপদেষ্টা হয়েছেন তিনি। মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করে তৃণমূল নেতা বলেন, "আলাপন বাংলার অলঙ্কার, বাংলার সমৃদ্ধি, কোনও অর্থ দিয়ে আলাপনের মতো অফিসার তৈরি করা যায় না। আমি স্যালুট জানাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, আলাপনের মতো এমন অফিসার বাংলার মানুষ পেয়েছে। ওঁর ভাই মারা গিয়েছে। কিন্তু কীভাবে ঠাণ্ডা মাথায় লড়াই করে যাচ্ছে।"












Click it and Unblock the Notifications