• search

স্কুলে বকাবকির পর আত্মঘাতী ছাত্র, পরিবারের অভিযোগ স্কুলের বিরুদ্ধে

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    স্কুলে বকাবকির পর আত্মঘাতী ছাত্র, পরিবারের অভিযোগ স্কুলের বিরুদ্ধে
    কলকাতা, ১৩ অগস্ট : গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হল ১৭ বছরের এক ছাত্র। বুধবার বাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। যদিও পরিবারের অভিযোগ, স্কুলের শিক্ষকরা ছাত্রের উফর মানসিক নির্যাতন চালাত। আর সেই অত্যাচার সহস্য করতে না পেরেই গলায় দড়ি দিয়েছে ওই ছাত্র। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগও দায়ের করেছে মৃত ছাত্রের পরিবার।

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, মৃত ছাত্রের নাম সুনীলকুমার গুপ্ত। একবালপুরের জওহরলাল নেহেরু বিদ্যাপীঠের নবম শ্রেণীর ছাত্র সুনীল। একবালপুরেই ভূকৈলাসনগরে দাদ ও ভাইয়ের সঙ্গে থাকত সুনীল। সুনীলের দাদা স্কুলের দুই শিক্ষকের নামে দক্ষিণ বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    সুনীলের দাদা জানিয়েছেন, সম্প্রতি একটি ছাত্রকে মারধর করার অভিযোগ সুনীলকে প্রচন্ড বকাবাকি করা হয় স্কুলে। এমনকী তাঁকে বাড়িও পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সুনীল যদিও কোনও ছাত্রকে মারধর করেনি বলে তাঁর দাদাকে জানিয়েছিল সুনীল। এর পরে স্কুলে সুনীলের অভিভাবককে ডেকে পাঠানো হয়। সুনীলের দাদা স্কুলে যানও। কিন্তু তাঁর সঙ্গে শিক্ষকরা কথা বলেননি বলে অভিযোগ। এর পরে বাড়িতে ফিরে আসেন তিনি। তখন থেকেই সুনীল থম হয়ে বসেছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর দাদা। এরপর বিকেলে ঘন্টা খানেকের কাজে তিনি বেরলে বাড়িতে একাই ছিল সুনীল। বাড়ি ফিরে দাদ দেখেন সুনীল বাড়ির সিলিং থেকে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন।

    সুনীলের দাদ জানিয়েছেন কোনও অজ্ঞাত কারণেই সুনীলকে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক নির্যাতন করত স্কুলের ওই দুই শিক্ষক। কথায় কথায় বকাবকি করা ক্লাসের অন্য়ান্য ছাত্রদের সামনে অপমান করা। মঙ্গলবার অত্যন্ত খারাপভাবে সুনীলকে বকাবকি করে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই মানসিক অশান্তি সহ্য করতে না পেরেই সুনীল গলায় দড়ি দিয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর।

    English summary
    Kolkata school boy kills self after scolding

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more