• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

জওয়ানের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

  • |

সিআরপিএফ জওয়ানের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল হাইকোর্ট। আইনজীবী শেখ মুজিবর রহমান জানান, সুমন রায় হুগলির ত্রিবেণী এসএস গাঙ্গুলী পাড়ার বাসিন্দা। ২০১৪ সালে স্কুল সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সিআরপিএফ মধ্যপ্রদেশ চাকরি পান। ওই বছরেই মধ্যপ্রদেশে নিমাচ ট্রেনিং সেন্টারে যান। পরের বছর তাঁর মৃত্যু হয়।

জওয়ানের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

সুমনের মা জোৎস্না রায় হাইকোর্টে অভিযোগ করেন, তার একমাত্র ছেলে সুমনের উপর মানসিক এবং শারীরিক ভাবে নির্যাতন চালাতেন সুমনের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক। দিনের পর দিন সুমনের উপর মানসিক নির্যাতন করেছেন। পরে সুমনকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ সুমনের মা জোৎস্নাদেবীর। যা আদালতে তুলে ধরেন আইনজীবী মুজিবুর রহমান। ২০১৫ সালে সুমনের এই রহস্যমৃত্যু উদঘাটনের জন্য সুমনের মা জোৎস্নাদেবী হাইকোর্টে মামলা করেন।

সেই মামলায় সিবিআই-এর পক্ষ থেকে কলকাতা হাইকোর্টে তারা জানান, মধ্যপ্রদেশ সরকার অথবা পশ্চিমবঙ্গ সরকার যদি অনুমোদন করে তাহলে সিবিআইয়ের এই মামলায় তদন্ত করতে কোন অসুবিধা নেই।

কলকাতা হাইকোর্টের এক এজলাস থেকে অন্য এজলাস এইভাবেই গত পাঁচ বছর ধরে মামলার ফাইল ঘুরেছে। অবশেষে বুধবার সেই মামলার শুনানি হয় হাইকোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের ডিভিশন বেঞ্চে। মামলার শুনানি চলাকালীন সুমনের পরিবারের পক্ষের আইনজীবী মুজিবুর রহমান বিচারপতিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান সুমনের এই মৃত্যুর ঘটনায় সঠিকভাবে যেমন ময়নাতদন্ত হয়নি তেমনই কী কারণে সুমন মারা গেলেন সেটাও কিন্তু তদন্তে পরিষ্কার নয়। তাই তারা চাইছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়েই সুমনের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন হোক। সেই আবেদনেই মান্যতা দিল ডিভিশন বেঞ্চ।

প্রশান্ত কিশোর আসলে তৃণমূলের স্ক্যানার! পুরভোট প্রসঙ্গে নিরূপণ করলেন নিজের ভূমিকা

English summary
Kolkata High Court directs CBI investigation on CRPF jawan's death
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more