• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

জোড়া খুনে বিশেষ তদন্ত কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

  • |

জোড়া অস্বাভাবিক মৃত্যুর দুটি আলাদা সিট গঠন করে দিলেন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি কৌশিক চন্দের ডিভিশন বেঞ্চ। নদীয়া যুবক কৌশিক চক্রবর্তী অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্ত করবেন ডিআইজি সিআইডি প্রণব কুমার।

জোড়া খুনে বিশেষ তদন্ত কমিটি গড়ল হাইকোর্ট

অন্যদিকে মেদিনীপুর দাসপুর শাহরুন আলী খানের রহস্য মৃত্যুর তদন্ত করবেন স্পেশাল পুলিশ কমিশনার জাবেদ শামীমের নেতৃত্বাধীন সিট। আগামী ৬ মাস পর মামলার পরবর্তী শুনানি তে তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করতে হবে আদালতে।

২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নদীয়ার বাসিন্দা কৌশিক কর্মকারের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে তদন্ত শুরু করে নদিয়া থানার পুলিশ। ময়নাতদন্তে ও পুলিশের রিপোর্টে ওই যুবক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে বলে দাবি পুলিশের। রাজ্যের কৌঁসুলি আদালতে জানান, 'সেদিন রাতে গাড়ি সারাতে কৌশিক বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তার গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। এবং মৃত্যু কালীন সময়ে সে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিল।'

সেই রায় কে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় কৌশিকের পরিবার। বিচারপতি রাজ শেখর মন্থা মামলা নিষ্পত্তি করে দেন। কারণ একজন সাক্ষী জানিয়েছিল কৌশিক সেই রাতে মদ্য পান করে গাড়ি চালানোর জন্য দূর্ধটনা ঘটে ছিল। এবং কৌশিকের ময়না তদন্তের রিপোর্ট অ্যালকোহল পাওয়া যায়।

তবে কৌশিকের মা শ্যামলী কর্মকারের দাবি তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। তাই বিচারপতি রাজ শেখর মন্থা র রায় কে চ্যালেঞ্জ করে বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি কৌশিক চন্দ্রের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন। কৌশিকের পরিবা রের পক্ষের আইনজীবী অচ্যুত বোস আদালতে জানান কৌশিক এক জন ডিভোর্সি মেয়েকে বিয়ে করে। তাঁর ছেলের মৃত্যুর এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁর বউমা রিয়া কর্মকার আত্মহত্যা করে মারা যান। সুইসাইড নোটে তার বৌমা জানিয়েছিলেন। এই মৃত্যুর পিছনে তার আগের স্বামীর হাত রয়েছে। সে তাদেরকে সুখে থাকতে দেবে না বলে হুমকিও দিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তদন্তে এসব কিছুই করেনি।'

শুক্রবার মামলার শুনানিতে কৌশিকের পরিবার অভিযোগ কে মান্যতা দিল হাইকোর্ট। ডিআইজি সিআইডি নেতৃত্বে ঘটনার তদন্ত করে আগামী 6 সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিচারপতি কৌশিক ডিভিশন বেঞ্চ। অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের যুবক সাহারুল আলি খানের (২১) মৃতদেহ পাওয়া যায় ২০১৭ সালের ২৪ মার্চ রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ। ৬ নম্বর জাতীয় সড়কে বাইক নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ির ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয় বলে রিপোর্ট দেয় পুলিশ।

যদিও সেই রিপোর্ট মিথ্যে বলে অভিযোগ করে মামলা করে তাঁর পরিবার। এদিন হাইকোর্টে পরিবারের আইনজীবী বলেন, বাইক দুর্ঘটনায় একজনের মৃত্যু হল, অথচ তাঁর পকেটে মোবাইল ফোন কোনও ক্ষত ছাড়াই থেকে গেল, তাঁর চশমাও কোনও ক্ষতি হল না। এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। যদিও সরকারি আইনজীবী পুলিশের দুর্ঘটনার যুক্তিতেই অনড় থাকেন।

English summary
Kolkata High Court constitute special committee for double murder
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more