• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

দুর্বল জেনেও কলকাতায় নিজেদের সংগঠন শক্তিশালী করার চেষ্টা করেনি বিজেপি

Google Oneindia Bengali News

একুশের বিধানসভা পর কলকাতা পুরোভোটে আবারও ধরাশায়ী বিজেপি৷ অথচ এই দলটিই ২০১৯ এর পর থেকে নিজেদের বঙ্গ-শাসক দল হয়ে ওঠার স্বপ্ন ফেরি করেছিল। কিন্তু তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে এবং নির্বাচনে আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে শাসন ক্ষমতায় ফিরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবারও তাঁর অন্যথা হল না৷ মঙ্গলবার সকাল থেকেই কেএমসি পুরোভোটের ফলাফলের ছবিটা ছিল স্পষ্ট। প্রথম থেকেই ১৩০ এর বেশি সিটে এগিয়ে ছিল তৃণমূল৷ অন্যদিল কলকাতায় পাওয়া নিজেদের ৮টি আসনও ধরে রাখতে না পেরে ৪ এর কাছাকাছি এসে ধুঁকছিল বিজেপি৷ বরং শূন্য হয়ে যাওয়া বামেরা সকালে তিন চারটে সিটে এগিয়ে থেকে একটা আশা জাগাচ্ছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারাও ২ টি আসনেই শেষ করে।

গোড়ায় গলদ!

গোড়ায় গলদ!

২০১৯-এর লোকসভা ভোটে তীব্র মোদী ঝড়ে ২ থেকে ১৮ তে উঠে এসেছিল বিজেপির সাংসদ সংখ্যা। কিন্তু এই ঝড়েও কলকাতায় লোকসভা সিটগুলোতে আঁচড় কাটতে পারেনি বিজেপি৷ এরপর বেশ কিছুটা সময় হাতে পেয়েছিল বঙ্গ-বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব৷ কিন্তু সে সময়টা কলকাতায় সংগঠন তৈরিতে সচেষ্ট না হয়ে দল ভাঙানোতে মন দিয়েছিল বঙ্গ-বিজেপি। অন্যদল থেকে পরিচিত মুখদের নিয়ে এসে একুশের বৈতরণী পার করতে চেয়েছিল বিজেপি। ১৯এর ধাক্কার পর পিকের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন চটকদার প্রকল্প নিয়ে তৃণমূল যখন বাড়ি বাড়ি পৌঁছানোর চেষ্টা করছে ঠিক তখন কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে শাসন ক্ষমতা দখলের আলোচনা করেছেন বঙ্গ-বিজেপি নেতারা।

কলকাতায় পুরনো বিজেপি কর্মীদের নিয়ে সংগঠন তৈরিতে অনীহা!

কলকাতায় পুরনো বিজেপি কর্মীদের নিয়ে সংগঠন তৈরিতে অনীহা!

২০২১ নির্বাচনের আগে থেকেই বঙ্গ-বিজেপির সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল আদি বনাম নব্য দ্বন্দ। কলকাতায় দলের পুরনো কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এনে সংগঠন তৈরির চেষ্টা ছেড়ে শ্রাবন্তী, পায়েল, রূদ্রনীলদের মতো একাধিক অভিনেতা নেত্রীকে দলে আনায় মন দিয়েছিল বিজেপি৷ এতে প্রথমত দলের নীচু তলার কর্মীদের ক্ষোভবাড়ে৷ দ্বিতীয়ত ভোটের সময় শাসক দলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লড়াইয়ে থাকার মতো সাংগঠনিক শক্তি তৈরি হয়নি বিজেপির। যার প্রতিচ্ছবিই ১৯ ডিসেম্বর কলকাতা জুড়ে দেখা যায় পুরোভোটের দিন।

কলকাতাকে বুঝতে পারেননি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব!

কলকাতাকে বুঝতে পারেননি বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব!

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বড় অংশের মতে দিল্লির রাজনীতির সঙ্গে বঙ্গের রাজনীতির পার্থক্য করে উঠতে পারেননি কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এবং ঠিক সেই কারণে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচীর মতো নেতাদের গুরুত্ব দিতে গিয়ে মাটির রাজনীতি, সংগঠন শক্ত করার কথা কিছুটা হলেও ভুলে গিয়েছেন তারা!

পুরোভোটের প্রচারেও পিছিয়ে বিজেপি!

পুরোভোটের প্রচারেও পিছিয়ে বিজেপি!

একুশের বিধানসভা ভোটে ৭৭টি আসন পেয়ে রাজ্যের প্রধানবিরোধী হওয়ার পরও কলকাতা পুরোভোটে ঝাপিয়ে পড়তে দেখা যায়নি বিজেপিকে! বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে ভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তা পুরোভোটে একেবারেই চোখে পড়েনি। এমনকি রাজ্য নেতৃত্বের মধ্যে শুভেন্দু অধিকারী সহ বেশ কয়েকজন নেতা ছাড়া বাকিদেরও কিরকম যেন একটা গা ছাড়া মেজাজ লক্ষ্য করা গিয়েছিল পুরোভোটের আগে থেকে!

পুরোভোটে বামেদের প্রচারে ছিল 'রেড ভলেন্টিয়ার্স' টোটকা!

পুরোভোটে বামেদের প্রচারে ছিল 'রেড ভলেন্টিয়ার্স' টোটকা!

পরপর দুটি নির্বাচনে শূন্য হয়েও পুরোভোটে নতুন উদ্যমে মাঠে দেখা গিয়েছে বামেদের৷ রেড ভলেন্টিয়ার্স কর্মীদের টিকিট দিয়ে প্রার্থী করা হোক কিংবা প্রচারে অভিনবত্ব নিয়ে এসে শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে গিয়েছে বামেরা৷ কিন্তু কলকাতা পুরোভোটে নিজেদের কোনও মডেল সেরকমভাবে তুলে ধরতে পারেনি বিজেপি৷ ২রা মের পর জেলাগুলিতে বিজেপি কর্মীদের উপর হওয়া ভোট
পরবর্তী সন্ত্রাসকে প্রচারে রাখলেও তা দিয়ে কলকাতার মানুষের মন পেতে ব্যার্থ হয়েছেন বঙ্গ-বিজেপি নেতারা!

বিরোধী যারা ভোট দেননি তাদের জন্য কাজ করতে হবে, নির্বাচনে জিতে পাড়ায় ফিরে মন্তব্য সজল ঘোষের

English summary
KMC election is may a eyeopener for BJP to concentrate on ground level organisation.
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X