• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

বিজেপির দৌড় বুঝে গেছেন মমতা! ঘুরিয়ে মুকুলকেই কি ‘দলছাড়া’র বার্তা দলনেত্রীর

রাজ্য-রাজনীতিতে মুকুল রায়কে নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। সাম্প্রতিককালে সব থেকে আলোচিত ও বিতর্কিত মুখ হয়ে উঠেছেন একদা তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। দক্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে তিনি এখনও জল মাপছেন। পরবর্তী পা ফেলার আগে দশবার ভাবছেন। তারই মধ্যে দলনেত্রীর বার্তা- 'তৃণমূলে থাকলে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখা চলবে না। যারা দু-নৌকায় পা দিয়ে চলছেন, তাঁদের জন্য দরজা খোলাই রয়েছে। চাইলেই বেরিয়ে যেতে পারে তাঁরা।'

বিজেপির দৌড় বুঝে গেছেন মমতা! ঘুরিয়ে মুকুলকেই কি ‘দলছাড়া’র বার্তা দলনেত্রীর

তৃণমূল নেত্রীর এই বার্তার পরই দলের অন্দরে শুরু হয়েছে কানাঘুষো। কাকে উদ্দেশ্য করে দলনেত্রী কথাটা বললেন! কারা রয়েছেন 'দিদিমণির' সন্দেহের তালিকায়! তবে কি দলনেত্রীর কানে বাইরের সবকথাই চলে আসে! এমনই নানা জল্পনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে দলের ভিতরে, দলের বাইরেও। কারা তাহলে পা বাড়িয়ে রয়েছেন বিজেপির দিকে? আদৌ কি তাঁরা দল ছেড়ে পদ্মশিবিরের দিকে পা বাড়াবেন?

তৃণমূলের অনেকেই বিজেপির দিকে পা বাড়িয়ে রয়েছেন, এমন অভিযোগ উঠছে বেশ কিছুদিন ধরেই। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ তো ফলাও করে বলেছিলেন সে কথা। এই বিজেপি-যোগে মুকুল রায় ছাড়াও একাধিক তৃণমূল নেতার নাম একাধিক সময়ে উঠে এসেছে। আসলে যে নেতা যখন দলে বিপাকে পড়েছেন-পদচ্যুত হয়েছেন, তখনই তাঁর নামে রটনা রটেছে। সেই তালিকায় মদন মিত্র, শুভেন্দু অধিকারীদের নামও উঠে এসেছে একাধিকবার। কিন্তু তাঁরা বর্তমানে দলে গুরুত্ব বাড়িয়েছেন। তাঁদের নিয়ে রটনাও নেই এখন।

একমাত্র মুকুল রায়ই দলের গুরুত্ব হারিয়ে বসে রয়েছেন। আর রাজনৈতিক মহলে তিনি আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে পড়েছেন। একটা সময় পৃথক দল গড়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন মুকুল রায়। তারপর তাঁর সঙ্গে বিজেপির প্রথম সারির কেন্দ্রীয় নেতাদের বৈঠক জল্পনা বাড়িয়েছিল। কিন্তু তিনি ধৈর্য সহকারে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি তৃণমূলে রয়েছেন, তৃণমূলের সৈনিক হয়েই কাজ করে চলেছেন।

এরই মধ্যে আবার দলের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে তাঁকে একে একে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে। মুকুল রায় তৃণমূলে একদা সেকেন্ড ইন কম্যান্ড থেকে নেমে গিয়েছেন একেবারে সাধারণ পর্যায়ে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কোর কমিটির বৈঠকে দলের নেতাদের আচরণে খড়্গহস্ত, তখন মুকুল রায়ও সেখানে উপস্থিত। আগে হলে মমতার পাশেই বসতেন। এখন তিনি দু-তিনটি চেয়ার পরেই বসে শুনলেন দলনেত্রীর বার্তা।

তবে কোর কমিটির বৈঠক থেকে একেবারে খালি হাতে তাঁকে ফিরতে হচ্ছে না। তাঁকে পঞ্জাবের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় মুকুল রায়ের সঙ্গে দলের দূরত্ব তৈরি হওয়া ত্রিপুরার সংগঠনের দায়িত্ব ছাড়াকে কেন্দ্র করে। মুকুল রায় সরে আসার পরই ত্রিপুরার তৃণমূল সংগঠন একপ্রকার ভেঙে খান খান হয়ে গিয়েছে। এখন বিধানসভায় তৃণমূলের অস্তিত্বই নেই। এহেন মুকুল রায়কে পঞ্জাবের সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপুর্ণ।

এখানে উল্লেখ্য, ২০১৩-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে মুকুল রায়ই ছিলেন দলের ভোট ম্যানেজার। নিজের হাতে পুরো রাজ্যের ভোট সামলেছেন। সাফল্যও এনে দিয়েছেন দলকে। এবার পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে কোর কমিটির বৈঠকে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনের অঙ্ক কষা হবে। ভোট ম্যানেজারের দায়িত্ব বণ্টন হবে, এমনটা মনে করা হয়েছিল। সেই নিরিখে মুকুল রায়ের উপরই দায়িত্ব বর্তায়, নাকি নয়া কাণ্ডারি অভিষেককে দায়িত্ব দেন দলনেত্রী, সেদিকে তাকিয়ে ছিল রাজনৈতিক মহল।

এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বার্তা দিয়েছেন দলের প্রভাবশালী নেতাদের। বুঝিয়ে দিয়েছেন, বিজেপিকে হারাতে কারও মুখাপেক্ষী থাকতে হবে না তাঁকে। রাজ্যে এখনও তৃণমূলের প্রভাব খর্ব হয়নি। বিজেপিকে হারানোর জন্য তৃণমূল ও মমতা নামটাই এখনও যথেষ্ট। তখনই তিনি বার্তা দিয়েছেন 'বিদ্রোহী'দের।

তিনি এরপর দলের নেতাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন। তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন, পঞ্চায়েতের দায়িত্ব কার কাঁধে অর্পণ করবেন। ফের ২২ সেপ্টেম্বর কোর কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই পঞ্চায়েত-যুদ্ধের অধিনায়কের নাম ঘোষণার সম্ভাবনা। মুকুল রায় ফের গুরুত্বের জায়গায় ফিরতে পারবেন কি! তা নিয়ে কম আলোচনা হচ্ছে না রাজনীতির অন্দরে।

More mamata banerjee NewsView All

English summary
Is Mukul Roy got message of Mamata Banerjee to leave party for BJP-link. Mamata Banerjee gives message to leaders from core committee meeting.
For Daily Alerts

Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more