• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শাসক দলের দৌরাত্ম্য, মন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়ে তিন ঘণ্টা 'তীর্থের কাক' শিল্পপতি

  • By Ananya Pratim
  • |
বঙ্গ
কলকাতা, ২৬ অগস্ট: মুখে বাগাড়ম্বরই সার। আসলে মোটেও শিল্পবান্ধব হয়নি পশ্চিমবঙ্গ। এমনকী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গাপুর সফরের পরও নয়। তারই প্রমাণ মিলল গতকাল দুপুরে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশের বিরুদ্ধে শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়ে তিন ঘণ্টা হাঁ করে বসে থাকতে হল এক শিল্পপতিকে। এর জেরে ক্ষোভ ধূমায়িত হয়েছে শিল্পমহলে।

ইন্দোরের শিল্পপতি স্বপন রায় বীরভূমের খয়রাশোলে একটি কাগজকল তৈরির জন্য আট মাসে আগে উদ্যোগ নেন। ইতিমধ্যে কুড়ি কোটি টাকা বিনিয়োগও করেন তিনি। কারখানাটি এখনও চালু হয়নি। অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব বারবার বাধা সৃষ্টি করছে। বলছে, কারখানা নির্মাণে ইট-বালি-সিমেন্ট ইত্যাদি তাদের সিন্ডিকেট থেকে বেশি দামে কিনতে হবে। নতুন নির্মাণকাজ শুরু করার আগে তোলা দিতে হচ্ছে মোটা টাকা। কারখানার শ্রমিক হিসাবে নিয়োগ করতে হবে শাসক দলের নেতাদের সুপারিশ করা ছেলেদের। এর জেরেই বিরক্ত স্বপনবাবু গতকাল দেখা করতে গিয়েছিলেন মন্ত্রীর সঙ্গে।

অভিযোগ, মন্ত্রীর ঘরের বাইরে তাঁকে অন্তত তিন ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। দুপুর বারোটা থেকে বিকেল তিনটে পর্যন্ত অপেক্ষা করেও যখন কাজ হয়নি, তখন ওই শিল্পপতি মন্ত্রীর আপ্ত সহায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে বেরিয়ে আসেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় হাজির হয় সংবাদমাধ্যম। তাতেই নড়েচড়ে বসে শ্রম দফতর। লিফটে উঠে পড়া শিল্পপতিকে কাকুতি-মিনতি করে নামিয়ে আনা হয়। তার পর তড়িঘড়ি মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করিয়ে দেওয়া হয়। মিনিট পনেরো কথা হয় দু'জনের। শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের ব্যাখ্যা, ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল।

English summary
Industrialist waits for three hours to meet minister to lodge complaint against TMC
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more