• search

স্ত্রীর শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করায় স্বামীর চোখে ছুরি ঢোকাল প্রতিবেশী যুবক

  • By Ritesh Ghosh
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    স্ত্রীকে হেনস্থার প্রতিবাদ করায় গুরুতর আহত হতে হল এক যুবককে। তাঁর চোখে ছুরি ঢুকিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের মানিকচক থানা এলাকায়। আহতকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    স্ত্রীর শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করায় স্বামীর চোখে ছুরি ঢোকাল প্রতিবেশী যুবক

    আক্রান্তের দাবি, সাহেব শেখ নামে প্রতিবেশী যুবক বেশ কিছুদিন ধরেই ওই গৃহবধূকে উত্ত্যক্ত করে চলেছিল। তার আগের বছরও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছিল সাহেবের বিরুদ্ধে। সেইসময়ে পঞ্চায়েতে আলোচনা করে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হয়। তবে আবার নতুন করে একই ঘটনা ঘটায় যুবতীর স্বামী প্রতিবাদ করেন।

    [আরও পড়ুন: প্রতি কেজির দাম ৪০০০০ টাকা! চা তো নয় এক পেয়ালা গলানো সোনা]

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যুবতীকে একা পেয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে অভিযুক্ত। যুবতীর চিৎকার শুনে স্বামী ছুটে যান। শুরু হয় বচসা, হাতাহাতি। অভিযোগ, তখনই আচমকা ছুরি বের করে চোখে বসিয়ে দেয় সাহেব। তারপরে পালিয়ে যায়।

    [আরও পড়ুন:ফেস রেকগনিশন বাধ্যতামূলক! আধার প্রমাণীকরণে জুড়ল অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্তর ]

    ঘটনার পর প্রতিবেশীরা আহত যুবককে মানিকচকের হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বাম চোখে দৃষ্টিশক্তি খোয়ানোর আশঙ্কা রয়েছে বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। এদিকে পুলিশ পলাতক সাহেবকে ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে।

    [আরও পড়ুন: কেরল আতঙ্কে এবার উত্তর ও পূর্ব ভারতেও! গাঙ্গেয় বঙ্গ, উত্তর ভারতে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস]

    English summary
    Husband injured after tries to safe wife from molestation in Malda

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more