• search

এসএসসি প্রার্থীদের অনশন ৩৬ দিনে, তবু নুইতে নারাজ রাজ্য

  • By ananya pratim
Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts
    ছবি
    কলকাতা, ১ অগস্ট: এসএসসি (স্কুল সার্ভিস কমিশন) পরীক্ষায় পাশ করেও চাকরি পাননি অনেকে। টানা অনশন করছেন। তবুও এঁদের নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই রাজ্য সরকারের। বেকার যুবক-যুবতীদের প্রাণের চেয়ে তাদের কাছে 'ইগো' বড় হয়ে উঠেছে। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কথা থেকে তেমনটাই মালুম হচ্ছে।

    পশ্চিমবঙ্গে নেই-চাকরির বাজারে এসএসসি পরীক্ষা বেকারদের কাছে একটা বড় ভরসা। এ বার তাতে পাশ করেও অনেকে চাকরি পাননি। এঁদেরই একাংশ তাই অনশন শুরু করেন। ৩৬ দিন ধরে অনশন চলছে। দু'জন ইতিমধ্যে মারাও গিয়েছেন। তবুও হেলদোল নেই রাজ্য সরকারের। গতকাল বিকাশ ভবনে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, "আন্দোলনকারীদের ব্যাপারে আমি সহানুভূতিশীল। কিন্তু আমার কিছু করার নেই। কারণ কেন্দ্র বলেছিল, যাদের বিএড নেই, তাদের ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত শিক্ষক পদে নিয়োগ করা যাবে। বিএড নেই, এমন কাউকে তার পর আমরা নিয়োগ করতে পারি না। ওঁরা বরং অনশন তুলে নিন।"

    কিন্তু পার্থবাবুর এই মন্তব্য যুক্তিযুক্ত নয় বলেই দাবি আন্দোলনকারীদের। কেন? ছাত্র সংগ্রাম ঐক্য মঞ্চের সভাপতি প্রদ্যুৎ হালদার পাল্টা বলেন, "আগেকার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর পরামর্শে এসএসসি চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য ৭ থেকে ১১ এপ্রিল চতুর্থ কাউন্সেলিংয়ের দ্বিতীয় দফায় কয়েকশো প্রার্থীকে নিয়োগের সুপারিশ করেন। নিয়োগও হয়। এদের অনেকের বিএড নেই। তা হলে, কেন এরা নিয়োগ পেল? আইন কি এক একজনের ক্ষেত্রে এক-এক রকম?"

    সিপিএম, বিজেপি-র দাবি, অনশনস্থলে গিয়ে পার্থবাবুর বোঝানো উচিত ছেলেমেয়েদের। দু'জন মারা গিয়েছেন। অনশন চলতে থাকলে আরও কতজন মরবেন, ঠিক নেই। কিন্তু পার্থবাবুর পাল্টা জবাব, "ওঁদের আর্জির মেরিট নেই। বিধানসভায় আমার কাছে ওদের প্রতিনিধিরা এসেছিল, আমি বুঝিয়েছি। নাটক করতে অনশন মঞ্চে যাব না।"

    English summary
    Hunger strike of SSC candidates continues, state govt still stubborn

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more