• search

যৌনাঙ্গে লোহার রড! ‘সন্তানধারণ’ বিতর্কে নির্মম অত্যাচার, রক্তাক্ত হল সালিশিসভাও

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    গৃহবধূর গোপনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠল শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, সন্তান হচ্ছে না কেন, এই প্রশ্ন তুলেই বধূর উপর শ্বশুরবাড়ির লোকেরা এমন নির্যাতন চালায়। তার মীমাংসায় ডাকা সালিশি সভাতেও ঘটল রক্তারক্তি-কাণ্ড। জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে সোমবারের সালিশি সভা মুহূর্তেই হয়ে উঠল রণক্ষেত্র।

    যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে নির্মম অত্যাচার ‘সন্তানধারণ’ বিতর্কে, রক্তাক্ত সালিশিসভাও

    বছর দুয়েক আগে ময়ানগুড়ির কৃষ্ণ পালের সঙ্গে বিয়ে হয়ে নির্যাতিতার। বিয়েতে লক্ষ টাকা পণ নিয়েছিল কৃষ্ণ, সোনাদানা, আসবাবপত্র-সহ অন্যান্য যৌতুকও ছিল পর্যাপ্ত। কিন্তু তা সত্ত্বেও বিয়ে সুখের হয়নি। কিছুদিন পর থেকেই স্ত্রীর উপর অত্যাচার শুরু হয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন অমানুষিক অত্যাচার শুরু করে বলে অভিযোগ।

    বিয়ের ছ-মাস পর থেকেই নির্যাতনের মাত্রা চরমে ওঠে। কেন সন্তান হয়নি, তা নিয়ে শারীরিক নিগ্রহ শুরু হয়। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের সাহায্য নেন গৃহবধূ। কিন্তু সন্তান ধারণে কোনও সমস্যা নেই জানার পর আরও বাড়ে অত্যাচার। লোহার রড ঢুকিয়ে অত্যাচার চালানো হয় গোপনাঙ্গে। এরপর সালিশি সভায় যখন মিটমাটের রাস্তা খোঁজা হচ্ছে, সেখানেই দু-পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি, মারামারি শুরু হয়ে যায়। রক্তারক্তি-কাণ্ডে জখম হন দু-পক্ষের অনেকেই। ভেস্তে যায় সালিশি।

    [আরও পড়ুন: ঘুম ভেঙেই দেখেন বিছানায় স্ত্রীর সঙ্গে কে যেন ধস্তাধস্তি করছে, হুলুস্থুলকাণ্ড হাসপাতালে]

    English summary
    House wife is abused and sexual harassed at Jalpaiguri. Two group face in clash in arbitration meeting and injured over 10 persons,

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more