• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

মুখ্যমন্ত্রী আসুন আমরা দুজনেই ক্ষমা চাই! রাজ্যপালের তাৎপর্যপূর্ণ টুইট, বিতর্কে নয়া মোড়

এনআরএস হাসপাতালের মর্গ থেকে মৃতদেহগুলি টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গড়িয়ার শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিতর্ক এখনও চলছে। শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে লিখলেন বিষয়টি নিয়ে। টুইট বার্তায় তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে এক অভিনব প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই প্রস্তাব নিয়েই জল্পা চলছে রাজ্য-রাজনীতিতে।

মৃতদেহগুলি টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলার দৃশ্য দেখে

মৃতদেহগুলি টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলার দৃশ্য দেখে

কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, পচাগলা মৃতদেহগুলি টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলা হচ্ছে। রাজ্য প্রশাসন এবং কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সনের কাছে রাজ্যপাল জানিতে চেয়েছিলেন- ওই লাশ করোনা সংক্রমণে মৃতদের কি না। কেন মর্গ থেকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ওইরকম অমানবিকভাবে।

কেএমসি এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে

কেএমসি এই বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে

রাজ্য প্রশাসন এবং কেএমসি রোগীর মৃতদেহ নিয়ে সেই অভিযোগ অস্বীকার করে এবং বলে, ভিডিওতে যা দেখা গিয়েছে, তা আ,লে বেওয়ারিশ লাশ ছিল। রাজ্যপাল জবাব পেয়ে সন্তুষ্ট না হওয়ায় ডেকে পাঠাল কেএমসির প্রশাসককে। এরপর কেএমসি বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানানো হয়।

মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিতে পবিত্রতা রাখা জরুরি

মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিতে পবিত্রতা রাখা জরুরি

রাজ্যপাল এরপর কঠোরভাবে জানিয়েছিলেন, ১৪টি মৃতদেহ এমনভাবে নিয়ে যাওযা হয়েছে, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অমানবিক। এই ঘটনায় জনগণের মন আন্দোলিত হবে যে- সভ্যতা কীভাবে এত কলঙ্কিত হতে পারে। মৃতদেহের প্রতি এমনতর আচরণ মানবতাকে লজ্জা পাবে! কেএমসি আইনের প্রতিটি বিধান লঙ্ঘন করা হয়েছে। মৃতদেহের অন্ত্যেষ্টিতে পবিত্রতা রাখা জরুরি।

মুখ্যমন্ত্রী আসুন, আমরা একসঙ্গে ক্ষমা চাই

এদিন এই বিষয়েই তিনি টুইট করে বলেন, ১৪ জনের মৃতদেহের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা সভ্যসমাজে উচিত নয়। তাঁদের আত্মীয়-পরিজনদের কাছে আমাদের মুখ দেখাবার সাহস নেই। আমরা জানি না কারা তাঁরা। তাই তাঁদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিতে হবে। এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্যে করে তিনি লেখেন- মুখ্যমন্ত্রী আসুন, আমরা একসঙ্গে জনসাধারণের কাছে ক্ষমা চাই।

সময় এসেছে আমাদের দুজনের ক্ষমা চাওয়ার

তিনি টুইটারে লেখেন- "সময় এসেছে আমাদের দুজনের ক্ষমা চাওয়ার। জনসাধারণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার মাধ্যমে জনগণের মনে উদ্রেক হওয়া ক্ষোভের প্রশমন ঘটাতে হবে। এই বর্বরোচিত ঘটনায় সমাজে ব্যাপক উদ্বেগ, ক্রোধ ও নিন্দা ছড়িয়েছে। কেএমসির চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম আমাকে আপডেট করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

রাজ্যপালের চিঠির পরে প্রশাসন নিরুত্তর

রাজ্য প্রশাসন অবশ্য এই চিঠির বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে, কেএমসি এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার সময় মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেছিলেন যে এটি মুখ্যমন্ত্রীর বিষয় নয়, এটি কেএমসির বিষয়। কেএমসি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।

শহীদ পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হলে বদলা চাই, মন্তব্য সোমেন মিত্রের

বিজেপি ভেবেছিল 'তৃণমূলী’ নেতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে! বিকল্প ভাবনায় নয়া নাম

English summary
Governor suggests that he and the Chief Minister together tender a public apology
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more