করোনায় ৫৭২ আর ৯৩১-এর তফাত নিয়ে খোঁচা! কেন্দ্রীয় দল আসার পর পরিস্থিতির উন্নতি, দাবি রাজ্যপালের
একই দিনে করোনা সংক্রমণ নিয়ে রাজ্য সরকারের দুই রিপোর্ট। ৩০ এপ্রিল বিকেলে করা সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যসচিব বলেছিলেন সেদিন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭২।
একই দিনে করোনা সংক্রমণ নিয়ে রাজ্য সরকারের দুই রিপোর্ট। ৩০ এপ্রিল বিকেলে করা সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যসচিব বলেছিলেন সেদিন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭২। অন্যদিকে সেদিনই কেন্দ্রকে পাঠানো রিপোর্টে স্বাস্থ্যসচিব জানিয়েছেন আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩১। যা নিয়ে এদিন প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল।

হিসেব মিলছে না রাজ্যপালের
৩০ এপ্রিল বিকেলে করা সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যসচিব বলেছিলেন সেদিন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৫৭২। অন্যদিকে সেদিনই কেন্দ্রকে পাঠানো রিপোর্টে স্বাস্থ্যসচিব জানিয়েছেন আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩১। এই হিসেবটাই মিলছে না রাজ্যপালের কাছে। তিনি বলেন, যদিও কারও রোগমুক্তি হয়ে থাকে কিংবা মৃত্যু হয়ে থাকে, সেই সংখ্যা বাদ দিলেও সংখ্যা মেলে না।

স্বচ্ছতার দাবি রাজ্যপালের
রাজ্যপাল এদিন সকালে করা টুইটে বলেছেন রাজ্যে করোনা ভাইরাস নিয়ে তথ্য শেয়ার করা হোক সঠিকভাবে। তথ্য লুকনো ছাড়ুক রাজ্য সরকার। পাশাপাশি ৩০ এপ্রিল হেলথ বুলেটিন প্রকাশ করা হলেও, ১ মেতে কেন তা করা হল না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্যপাল।

কেন্দ্রীয় দলের সফরের পর পরিস্থিতির উন্নতি, দাবি রাজ্যপালের
রাজ্যপাল এক ভিডিওবার্তায় জানিয়েছেন, ১০ এপ্রিল কেন্দ্রের তরফে রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছিল লকডাউন সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না রাজ্যে। সামাজিক দূরত্বও মেনে চলা হচ্ছিল না। কেন্দ্রের সতর্কতা জারির পর রাজ্য সরকারের কাজে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে কেন্দ্রীয় দলের কাজ করতে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় দল আসার পরে রাজ্য সরকারের কাজে পরিবর্তন হয়েছে বলেও জানিয়েছেন রাজ্যপাল।












Click it and Unblock the Notifications