ভারতের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভোট। আপনি কি এখনও অংশগ্রহণ করেননি ?
  • search

মোর্চার দাপট তলানিতে, সাদা পতাকা উড়িয়ে পাহাড়ে তৃণমূলের মিছিলে আমজনতাও

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    পাহাড়ে মোর্চার দাপট যে তলানিতে ঠেকেছে, তা ফের প্রমাণিত হয়ে গেল সোমবার। এদিন মিরিকে বনধ বিরোধী মিছিল হল। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন মিরিক পুরসভার চেয়ারম্যান স্বয়ং। মিছিলটি তৃণমূলের তরফে সংগঠিত করা হলেও, এদিন কারও হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ছিল না। সবাই-ই সাদা পতাকা নিয়ে মিছিল করেন। পুরো মিরিক পর্যবেষ্টন করেন পাহাড়বাসীরা।

    মোর্চার দাপট তলানিতে, সাদা পতাকা উড়িয়ে পাহাড়ে তৃণমূলের মিছিলে আমজনতাও

    এদিন বনধ বিরোধী এই মিছিলে পা মেলান বহু সাধারণ নাগরিক। এই ছবিতেই অনেকটাই স্পষ্ট পাহাড়ের মানুষ কী চাইছেন। তাঁরা যে বনধের বন্দি জীবন থেকে এবার মুক্তির সাধ পেতে চান, তা নিজেরাই মিছিল পা মিলিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন এদিন। সেইসঙ্গে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে, পাহাড়ে গুরুংয়ের কর্তৃত্ব ক্রমশই ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে আসছে।

    এদিন মিছিলে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পা মেলান। ফলে পাহাড়ে তিনমাস পর একেবারে অন্য ছবি দেখা গেল। এই মিছিলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পাহাড়ে পাল্টা মিছিল করে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। মোর্চার এই মিছিলে কিন্তু উপস্থিতির হার ছিল অপেক্ষাকৃত অনেক কম। টানা তিনমাস ধরে মানুষের উপর বনধ চাপিয়ে দেওয়ার ফলশ্রুতিতেই পাহাড়ে মোর্চার সমর্থন কমেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    মিরিক পুরসভার চেয়ারম্যান রায় বাহাদুর রাই বলেন, এদিন দলীয় পতাকা ছেড়ে শান্তির দাবিতে আজ সবাই সাদা পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন। পাহাড়ে বনধের সমর্থনে আগে পোস্টার দিয়েছিল মোর্চা। এদিন সেই পোস্টারের পাশে শান্তির দাবিতেও পাল্টা পোস্টার লাগানো হয়। সাদা পতাকাও লাগিয়ে দেওয়া হয়। এই শান্তি মিছিলের রেশ ধরে অনেক দোকানও এদিন খোলে মিরিক, কার্শিয়াং ও দার্জিলিংয়ে। এতদিন মোর্চার দাপটে তৃণমূল মিরিকে ক্ষমতা দখল করেও রাস্তায় নামতে পারেনি। এদিন স্বতঃপ্রণোদিতভাবে মানুষের রাস্তায় নেমে আসা পাহাড়ে অন্য বার্তা দিচ্ছে।

    English summary
    General public also join in TMC’s procession in Mirik with white flag

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more