• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

পাঁচ বছর পর নারদা মামলায় চাঞ্চল্যকর মোড়! তৎকালীন চার বিধায়কের বিরুদ্ধে সিবিআইকে চার্জশিট পেশ করার অনুমতি

২০১৬ সালে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তোলপাড় রাজ্য। একটি স্টিং ভিডিও ঘিরে তৈরি হয় চরম বিতর্ক। স্টিং অপারেশনে দেখা যায় তৃণমূলের একাধিক মন্ত্রীকে ঘুষ নিতে। টাকা নিতে দেখা যায় বেশ কয়েকজন তৃণমূলের সাংসদকেও। ভোটের আগে এই ভিডিও রীতিমত তোলাপাড় ফেলে দেয়। ভোটের আগে এই ভিডিও ঘিরে চরম অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল।

এমনকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ঘটনায় চরম ক্ষুব্ধ ছিলেন। এই ঘটনার ঠিক পাঁচ বছরের মাথায় নয়া মোড় নিতে চলেছে। বিজেপি সরকারের প্রতিহিংসা বলছে তৃণমূল।

সিবিআইকে চার্জশিট পেশ করার অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল

সিবিআইকে চার্জশিট পেশ করার অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল

নারদ মামলায় অভিযুক্ত তৎকালীন চার বিধায়কের বিরুদ্ধে সিবিআইকে চার্জশিট পেশ করার অনুমতি দিলেন রাজ্যপাল। এই চার বিধায়ক হলেন ববি হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়। এঁদের মধ্যে প্রথম তিন জন আবার নির্বাচনে জিতে বিধায়ক হয়েছেন। প্রথম তিন জনই তৃণমূলের। কিন্তু পরবর্তীকালে বিজেপিতে যোগ দেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু যদিও প্রার্থী না করাতে বিজেপি থেকে পদত্যাগ করেছেন শোভন।

শুভেন্দুর নাম না থাকা নিয়ে জল্পনা

শুভেন্দুর নাম না থাকা নিয়ে জল্পনা

নারদ স্টিং অপারেশনে এই তিনজনকে ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজনকে দেখা যায়। যারা তৎকালীন তৃণমূল নেতা। স্টিং অপারেশনে শুভেন্দুকেও দেখা যায়। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে তাঁর নাম এই অনুমোদন দেওয়ার তালিকায় নেই। কেন নেই তা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও আনন্দবাজারে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী সিবিআই জানিয়েছে, যে সময়ে মামলা শুরু হয়েছিল, সেই সময়ে শুভেন্দু সাংসদ ছিলেন। তাঁর ক্ষেত্রে তাই অনুমোদন দেবেন লোকসভার অধ্যক্ষ। প্রশ্ন উঠেছে, সে ক্ষেত্রে এই চার বিধায়কের জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের অনুমতি চাওয়া হয়েছিল কি? যদিও এই প্রসঙ্গে ওই সংবাদমাধ্যমে বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কোনও চিঠি পায়নি। তবে বিকাশ ভট্টাচার্য ওই সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছন, যেহেতু এখনও নতুন বিধানসভা গঠন হয়নি, এই অবস্থায় রাজ্যপাল অনুমতি দিতে পারেন।'' সিবিআইয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবার রাজ্যপালের কাছ থেকে চার্জশিট দেওয়ার (প্রসিকিউশন স্যাংশান) অনুমতি পাওয়ার ফলে দুর্নীতি দমন আইনের সাত নম্বর ধারায় এঁদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া যাবে।

আদালতর নির্দেশে নারদা মামলার তদন্তে সিবিআই

আদালতর নির্দেশে নারদা মামলার তদন্তে সিবিআই

ব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে ২০১৪ সালে কলকাতায় এসেছিলেন সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল। তৃণমূলের একাধিক সাংসদ-বিধায়কের স্টিং অপারেশন করা হয়। পুলিশকর্তারও স্টিং করা হয়। কলকাতা হাই কোর্টে নারদ কাণ্ড নিয়ে মামলা হয় এবং হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তে নামে সিবিআই। যে ১৩ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করে মামলা হয়, তার মধ্যে ছিলেন তৃণমূলের তৎকালীন সাত সাংসদ। তাঁদের মধ্যে সুলতান আহমেদ তদন্ত চলাকালীনই মারা যান। বাকি ছয়সাংসদের মধ্যে মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে পরে বিজেপি-তে যোগ দেন। বাকি চার জনের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের চার জন সৌগত রায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অপরূপা পোদ্দার।

২০১৬ ভোটের বাক্সে প্রভাব পড়েনি

২০১৬ ভোটের বাক্সে প্রভাব পড়েনি

সিবিআইয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই ছয় সাংসদের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়ার প্রয়োজনীয় অনুমতি লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে অনেক দিন আগেই চাওয়া হয়েছে। এখনও সেই অনুমোদন এসে পৌঁছয়নি। সেটা না-এলে এবং রাজ্যের বর্তমান তিন তৃণমূল বিধায়ক ও শোভনের নামে আদালতে চার্জশিট জমা দিলে নতুন করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার তত্ত্ব উঠে আসবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ তথা ব্যবসায়ী কে ডি সিংয়ের টাকাতে এই স্টিং অপারেশন করা হয়েছিল বলে পরবর্তীকালে জানা যায়। ২০১৬ ভোটের আগে শাসকদলকে চাপে রাখতেই এই কৌশল ছিল বলে মনে করা হয়। যদিও ২০১৬ তেও ভোটের বাস্কে নারদার কোনও প্রভাব পড়েনি। ২০০ এরও বেশী আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসেন মমতাই।

English summary
Fresh trouble for Mamata CBI chargesheet 4 top Trinamool leaders in Narada sting
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X