• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

লেক টাউন থানায় ডেঙ্গুর প্রকোপ, কাত পাঁচ পুলিশ কর্মী

  • |

দক্ষিণ কলকাতা ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে ডেঙ্গুর উপদ্রব বাড়ার খবর মিলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। এবার ডেঙ্গুর থাবায় লেক-টাউন থানার একাধিক পুলিশ কর্মীর আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলল। আক্রান্তদের মধ্যে রয়েছেন ইন্সপেক্টর ও সাব-ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার পুলিশ কর্মীরাও। প্রায় পাঁচ জন পুলিশ কর্মীর মধ্যে তিন জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তারা ইতিমধ্যেই স্থানীয় হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

লেক-টাউন থানাতেও এবার ডেঙ্গুর থাবায়

এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের এক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, 'ডেঙ্গু এবং পতঙ্গ-বাহিত অন্যান্য রোগগুলি বর্তমানে থানা এবং ফাঁড়িতে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের জন্য প্রায় প্রাণ নাশের হুমকির সমান হয়ে দাঁড়াচ্ছে। মশার কামরে রাতের দিকে ডিউটি করাই অসম্ভব হয়ে উঠছে। ইতিমধ্যেই আমাদের অনেক সহকর্মীই ডেঙ্গুর প্রকোপে হাসপাতালে ভর্তিও হয়েছেন।’

বর্ষার পর মশার এই উপদ্রব ঠেকাতে একাধিকবার দক্ষিণ দমদম পৌরসভার কাছে আবেদন করা হলে সেই বিষয়ে তারা কর্ণপাত করেনি বলেও এদিন অভিযোগ করেন ওই পুলিশ আধিকারিক। পাশাপাশি এই প্রসঙ্গে এক নাগরিক স্বাস্থ্য অধিকর্তা জানান ইতিমধ্যেই লেকটাউনের প্রায় ১০ জন ও বাঙুরের ৩ জন বাসিন্দার দেহে ইতিমধ্যেই ডেঙ্গুর জীবাণু মিলেছে। ইতিমধ্যে তাদের দ্রুত চিকিৎসাও শুরু করা হয়েছে।

অন্যদিকে, মশার উপদ্রব কমানোর জন্য পৌরসভার কর্মীদের দায়সারা মনোভাবকেই দায়ী করেছেন এলাকার মানুষজন। এলাকার বাসিন্দা রিচা আগরওয়াল বলেন, 'পুরসভার ডেঙ্গু প্রতিরোধক দলকে খুব কমই এলাকায় দেখতে পাওয়া যায়। কীটনাশক ছড়াতে বছরে এক-আধবার তারা ওয়ার্ড গুলিতে আসেন। এই বিষয়ে পৌরসভায় বারংবার জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। উল্টে বর্তমানে আমাদের অনেক প্রতিবেশী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।’ পাশাপাশি অনেক বাসিন্দাই এইজন্য পৌরসভার আবর্জনা ও নিকাশি পরিষ্কার বিভাগের কর্তব্যহীনতার দিকেও আঙুল তুলছেন।

English summary
Lake Town police station is also now in dengue danger
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more