• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

তুঙ্গে সিইএসসি-পুরসভা তরজা, বিদ্যুৎ ফেরাতে কেন এতো দেরি প্রশ্ন তুললে হুঁশিয়ারি প্রশাসক ফিরহাদের

আম্ফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ পরিষেবা নিয়ে সিইএসসি-পুরসভা তরজা তুঙ্গে। দায় এড়ােত প্রথম থেকেই সিইএসসিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে রাজ্য সরকার। রাস্তায় দীর্ঘ সময় ধরে গাছ পড়ে থাকার কারণেই বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে সমস্যা হচ্ছে বলে অভিযোগ সিইএসসির। সোমবার আবার সিইএসসির বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন ফিরহাদ হাকিম।

কাঠগড়ায় সিইএসসি

কাঠগড়ায় সিইএসসি

১০০ ঘণ্টা পাড় হয়ে গিয়েছে এখনও আম্ফান বিধ্বস্ত শহরের অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়নি। কেন এতো দেরি হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিষেবা ফেরাতে তা নিয়ে সিইএসসিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হািকম।

শহরের সব রাস্তার গাছ কাটা হয়েছে

শহরের সব রাস্তার গাছ কাটা হয়েছে

পুরসভা গাছ কাটেনি বলে বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছিল পুরসভা। সেটা একেবারেই সত্যি নয় বলে দাবি করেছেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানিয়েছেন শহরের সব বড় রাস্তা পরিষ্কার করা হয়ে গিয়েছে। গাছ কাটা হয়ে গিয়েছে। সিইএসসিকে শুধু লাইন জুড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে।

সিইএসসিকে হুঁশিয়ারি

সিইএসসিকে হুঁশিয়ারি

শহরে বিদ্যুথ পরিষেবা ফেরানো নিয়ে এবার সিইএসসিকে রীতিমত হুঁশিয়াির দিয়েছেন প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছেন এনাফ ইজ এনাফ। শহরবাসীর বিদ্যুৎ পরিষেবা আগে স্বাভাবিক করতে হবে। সিইএসসির আগে ক্ষতির পরিমাণ বোঝা উচিত ছিল। সাড়ে পাঁচ হাজার গাছ একদিনে সরানো যায় না।

কলকাতাকে নতুন করে সাজাব

কলকাতাকে নতুন করে সাজাব

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে কলকাতার দায়িত্ব দিয়েছেন, কলকাতাকে নতুন করে সাজাবো। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। এরকম পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয় তার ব্যবস্থা করা হবে। বনদফতরের সঙ্গে পরামর্শ করে গাছ লাগানো হবে কলকাতায়।

আমফান তাণ্ডবের পর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন , অভিযোগ জয়প্রকাশের

জয়সয়াল সমাজের উদ্যোগে ইদে বাড়ি ফিরল ইসমাইলরা

English summary
Firhad Hakim raise voise agaist CESC for dely in normalize electricity
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more