জেল থেকে বাড়ি ফিরেই ভার্চুয়াল বৈঠকে ফিরহাদ, মমতার ‘কাজের ছেলে’ ফিরলেন কাজে
প্রেসিডেন্সি জেলে কেটেছে চার রাত। পঞ্চম রাতে অনেক লড়াইয়ের পর ঘরে ফিরলেন। ঘরে ফিরে নিস্তার নেই তাঁর। তিনি যে বড় কাজের ছেলে।
প্রেসিডেন্সি জেলে কেটেছে চার রাত। পঞ্চম রাতে অনেক লড়াইয়ের পর ঘরে ফিরলেন। ঘরে ফিরে নিস্তার নেই তাঁর। তিনি যে বড় কাজের ছেলে। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে প্রাসঙ্গিক করে কোভিড মোকাবিলায় অফিসারদের ভার্চুয়াল বৈঠক সারলেন ফিরহাদ হাকিম।

চারদিন জেলে কাটিয়ে ফিরলেন বাড়িতে
সম্প্রতি নারদ মামলায় চার হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। জামিন পাওয়ার পরও তা হাইকোর্টে স্থগিত হয়ে যায়। এরপর জামিন-বিতর্কে চারদিন কেটে যায়। পঞ্চম দিনে তাঁদের জেল বা বেল নয়, মেলে গৃহবন্দি থাকার নিদান। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের সেই রায়দানের পরই ফিরহাদ ফেরেন বাড়িতে।

কাজের ছেলে নেমে পড়লেন কাজে
এরই মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ববি অর্থাৎ ফিরহাদ হাকিম বড় কাজের ছেলে। এই কোভিড সিচুয়েশনে সে গুরুদায়িত্বে ছিল। কিন্তু তাঁকে কাজ করতে দেওয়া হল না জোর করে। এরপর প্রেসিডেন্সি জেল থেকে বাড়ি ফিরেই কাজের ছেলে নেমে পড়লেন কাজে।

বাড়ি ফিরে ববি বসলেন ভার্চুয়াল বৈঠকে
আদালতের নির্দেশে নানাবিধ নিয়মের খাঁড়া ঝুলছে। তারই মধ্যে সব নিয়ম মেনেই তিনি বাড়ি ফিরে বসে পড়লেন ভার্চুয়াল বৈঠকে। কলকাতা পুরসভার অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করলেন ভার্চুয়ালি। প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিলেন। আপাতত তিনি ভার্চুয়ালি কাজ করবেন। প্রয়োজনে ফাইল দেখবেন, সই করবেন। কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেবেন।

জেলেই কেটেছে চার রাত, অসুস্থ হয়েও এসএসকেএমে নয়
ফিরহাদ হাকিম গ্রেফতারির পর প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দিবস্থায় কাটিয়েছেন। অসুস্থ হয়ে পড়লেও তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে আসেননি। জেল হাসপাতালেই চিকিৎসা করিয়েছেন। শেষে তিনি প্রেসিডেন্সি জেল থেকেই তিনি বাড়িতে ফিরলেন, তবে জামিন নয়, তিনি গৃহবন্দি থাকবেন এখন। সেইমতে হাইকোর্টের লাগু করা নিয়ম মেনে চলতে হবে তাঁকে। সিসিটিভি ক্যামেরা লাগাতে হবে বাড়ির গেটে। কাদের সঙ্গে দেখা করছেন, তার তালিকা তৈরি করতে হবে। সাংবাদিক বৈঠক করতে পারবেন না।












Click it and Unblock the Notifications