• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

শিক্ষায় বেহাল দশা! মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা দিতে মরিয়া ছাত্রীরা, তারপর যা হল

পরীক্ষার সময় মোবাইল ফোন সঙ্গে রাখতে দিতে হবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই দাবিতে পরীক্ষার হল থেকে বেরিয়ে গিয়েছে জলপাইগুড়ির প্রসন্নদেব মহিলা মহাবিদ্যালয়ের একাধিক ছাত্রী। মোবাইল নিয়ে পরীক্ষায় বাধা দেওয়া হয়েছে বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে। ছাত্রীদের এই দশা নিয়ে উদ্বিগ্ন শিক্ষা মহল।

শিক্ষায় বেহাল দশা! মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা দিতে মরিয়া ছাত্রীরা, তারপর যা হল

এদিকে মোবাইল নিয়ে পরীক্ষা দেওয়ার দাবির বিরোধিতা করায় কলেজের ছাত্র সংসদের জিএস অনিপ্রা ঘোষকে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির ক্লাব রোডের প্রসন্নদেব মহিলা মহাবিদ্যালয়ে বিএ প্রথম বর্ষের পরীক্ষা চলাকালীন নকল করা ও মোবাইল নিয়ে পরীক্ষায় বসার অভিযোগ ওঠে কয়েকজন ছাত্রীর বিরুদ্ধে। ইলেক্টিভ ইংলিশ কিংবা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বাদ যায়নি কোনও বিষয়ই। এদের মধ্যে একজনকে হাতনাতে ধরেন কলেজের ছাত্র সংসদের জিএস। এরপরেই তাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, মোবাইল দেখে লেখার অভিযোগে এক ছাত্রীর যেমন মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, ঠিক তেমনই একজনকে আরএ করা হয়েছে। বাকি কয়েকজনকে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, এক ছাত্রীকে মোবাইল নিয়ে লিখতে বাধা দেওয়ায় সে শিক্ষকদের হুমকি দেয়। যে ধরিয়ে দিয়েছিল তার বাড়িতে গিয়েও হুমকি দেয় বলে অভিযোগ।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষা জানিয়েছেন, নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা চলাকালীন কেউ ফোন ব্যবহার করতে পারে না। পরীক্ষার হলেও মোবাইল নিয়ে ঢোকার অনুমতি নেই।

হুমকির প্রসঙ্গে কলেজের ছাত্র সংসদের জিএস জানিয়েছেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরীক্ষার সময় নকলে বাধা দেওয়ায় কয়েকজনকে শাসানো হয়েছে। এনিয়ে কথা বলতে গেলে অভিযুক্ত ছাত্রী তাকে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার হুমকি দেয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি কলেজ ও থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন।

English summary
Female students of a Jalpaiguri College demands to seat in examination with mobile
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more