এবার সপরিবারে গৌরী আসছেন কালিয়াগঞ্জের দীপঙ্করের বাড়িতে
হত দরিদ্র পরিবারের ছেলে দীপঙ্কর। বাবা ছেঁড়া চটের বস্তা সেলাই করে দিনগুজরান করেন। টাটানির সংসারে ছেলে দুর্গাপুজো শুরু করেছে। ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে স্বপ্ন দেখার মতোই অবস্থা হয়েছিল পরিবারের।
হত দরিদ্র পরিবারের ছেলে দীপঙ্কর। বাবা ছেঁড়া চটের বস্তা সেলাই করে দিনগুজরান করেন। টাটানির সংসারে ছেলে দুর্গাপুজো শুরু করেছে। ছেঁড়া কাঁথায় শুয়ে স্বপ্ন দেখার মতোই অবস্থা হয়েছিল পরিবারের। কালিয়াগঞ্জের পাল পাড়ার ছোট্ট কুঁডেতে বসেই আপন খেয়াসে দীপঙ্কর তৈরি করে ফেলেছিল দুর্গা মূর্তি।

গতবার পুজোর ঠিক আগেই ঘটেছিল সেই কাণ্ড। দীপঙ্করের পরিবার জানায় দুর্গাপুজো করার কথা তাঁরা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারে না। কিন্তু ছেলে নাকি স্বপ্নাদেশ পেয়েছিল পুজো করার। কাউকে কিছু না জানিয়েই তাঁরা কোনও মতে পুজোর প্রস্তুতি শুরু করেছিল। শেষে পাড়ার লোকেরা জানতে পেরে এগিয়ে আসেন।
পুজোর চারদিন পাড়ার প্রতিবেশীরা সমস্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। এবছর আর ছোট এক ফুটের দূর্গা নয়। দীপঙ্কর বানিয়ে ফেলেছে বড় দুর্গা প্রতিমা । এবার মা আছেন সপরিবারেই। নবম শ্রেণির ছাত্র দীপঙ্করের দুর্গা পুজো দেখতে এবারেও উৎসাহী হয়েছেন কালিয়াগঞ্জবাসী।
একমাত্র ছেলের প্রতিমা তৈরির আগ্রহতে প্রথমদিকে আপত্তিই ছিল মায়ের। কিন্তু ছেলের অদম্য উৎসাহ আর আগ্রহের কাছে হার মেনে তাঁরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন। গতবছর একফুটের দূর্গা প্রতিমা দিয়ে শুরু হয়েছে তার বাড়িতে দুর্গোৎসব । এবার দীপঙ্কর একজন দক্ষ মৃৎশিল্পীর মতো তৈরি করছে বড় আকারের দুর্গাপ্রতিমা। বাহনসহ থাকছে লক্ষী,সরস্বতী কার্তিক গনেশ।
নিজেদের সংসারের খরচ বাঁচিয়ে পাড়া প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় পালপাড়ার বস্তির জীবন পালের বাড়িতে আয়োজন হচ্ছে দুর্গাপুজো । দীপঙ্করের স্বপ্ন একদিন সে কলকাতার নামজাদা কোনও পুজো মন্ডপের প্রতিমা তৈরি করবে।












Click it and Unblock the Notifications