• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রানি রাসমণির বাড়িতে কুমারী পুজো হয় ৩ দিন ধরে, উন্মোচিত হলো রানির নব নির্মিত মূর্তি

  • |

রাজা নেই, নেই রাজ্যপাটও! কিন্তু আভিজাত্য আর ঐতিহ্যের হাত ধরে আজও পুজো হয় রানি রাসমণির জানবাজারের বাড়িতে। বংশধরদের মধ্যে দুভাগে ভাগ হয়ে গেলেও রানির করা আদি পুজোর বিশেষত্ব মেনে পুজোর রীতির চল রয়েছে স্বমহিমায়।

 রানি রাসমণির বাড়িতে কুমারী পুজো হয় ৩ দিন ধরে, উন্মোচিত হলো রানির নব নির্মিত মূর্তি

পরিবার সূত্রে জানা গেল, ১৭৯৪ সালে পুজোর সূচনা করেছিলেন রানি রাসমণির শ্বশুর জমিদার এবং ব্যবসায়ী কৈবর্ত্য সম্প্রদায়ভুক্ত প্রীতিরাম মাড়। পরবর্তী সময়ে ১৮১৩ থেকে ১৮২০, আট বছর ধরে তৈরি জানবাজারের প্রাসাদ বাড়িতে কিছু নিয়মকানুন মেনে এই পুজোর শুরু করেন। রানি রাসমণির স্বামী রাজচন্দ্র দাসের মৃত্যুর পরে রানি নিজেই এই পুজোর দায়িত্ব নেন। রানির আমলে খুব ধুমধাম করে এই পুজো করা হতো। সারারাত ধরে যাত্রা, কবিগানের আসর বসতো। এই বাড়িতে প্রখ্যাত কবিয়াল ভোলা ময়রা ও অ্যান্টনি ফিরিঙ্গিও এসেছেন বলে শোনা যায়। প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর, পরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামীজি, নেতাজি, বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায়-সহ অনেক বরেণ্য ব্যক্তিত্বই এখানে নিয়মিত পুজোতে এসেছেন।

প্রাচীন সেই রীতি মেনে আজও এখানে দেবী দুর্গার সঙ্গে পঞ্চ মহাদেব, রঘুবীর, রামকৃষ্ণ এবং সারদারর পুজো করা হয়। কারণ হিসেবে জানা গিয়েছে, ১৮৬৪ সালে রামকৃষ্ণদেব এই পুজোতে এসেছিলেন এবং 'সখীবেশ' ধরে পুজোও করেছিলেন তিনি। সন্ধ্যা আরতির সময়ে মা দুর্গাকে চামর দুলিয়ে বাতাস করেছিলেন, যা দেখে মথুরবাবু ভেবেছিলেন, তাঁর স্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে কোন নিমন্ত্রিত স্ত্রীলোক মাকে চামর দুলিয়ে বাতাস করছিলেন। পরে তিনি জগদম্বা দেবীর থেকে জানতে পারেন, স্বয়ং রামকৃষ্ণদেব ভাবাবস্থায় চামর হাতে মাকে বাতাস করেছিলেন। সেই থেকেই এই পুজোতে আজও ঠাকুরদালানে বাড়ির মহিলারা প্রতিমার বাম দিকে এবং পুরুষেরা ডান দিকে দাঁড়ান।

 রানি রাসমণির বাড়িতে কুমারী পুজো হয় ৩ দিন ধরে, উন্মোচিত হলো রানির নব নির্মিত মূর্তি

আজ অবশ্য পশুবলি বন্ধ। তবে এই প্রাচীন পুজোর রীতির খামতি নেই।রানি রাসমণির বাড়িতে দুর্গা প্রতিমারও বিশেষত্বের রয়েছে। দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মুখের রঙ- যা একে অন্যের থেকে আলাদা। দেবী এখানে 'তপ্তকাঞ্চনবর্ণা'- অর্থাৎ তাঁর মুখের রঙ শিউলি ফুলের বোটার মতো। বর্ধমান থেকে আনা সজ্জিতা দেবী এখানে একচালা, কারণ দেবী একান্নবর্তী পরিবার পছন্দ করেন ।

 রানি রাসমণির বাড়িতে কুমারী পুজো হয় ৩ দিন ধরে, উন্মোচিত হলো রানির নব নির্মিত মূর্তি

বংশ পরম্পরায় প্রতিমা তৈরিতে রয়েছেন লালু চিত্রকর এবং তাঁর ভাই দুলাল চিত্রকর। এরা আহমেদপুর থেকে আসেন। দেবীর বোধন হয় প্রতিপদে, অর্থাৎ মহালয়াতে। রানি রাসমণির বাড়িতে দুর্গার সঙ্গে পুজো করা হয় মহাদেবেরও। দশমীতে দেবীর মূর্তির সঙ্গে মহাদেবের মূর্তিও বিসর্জন দেওয়া হয়। এই পুজোতে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী, তিন দিন ব্যাপী কুমারী পুজো চলে। এই ভোগের প্রসাদ সবাই পেয়ে থাকেন। আজও এখানে পুজোর ক'দিন সারা রাতব্যাপী যাত্রা ও কবি গানের লড়াই-এর আসর বসে।

আজ পঞ্চমীতে বেলা তিনটেতে জানবাজারে রাণী রাসমণির বাড়িতে রাণীমার নবনির্মিত মূর্তি উন্মোচন করেন গোলাপার্ক রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজ সুপর্ণানন্দজি।

English summary
durga puja 2019: janbazar rani rashmoni durga puja, rani rashmoni's idol inauguration
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more