নন্দীগ্রামেই পত্তন, পতনের সূচনাও নন্দীগ্রামে! শুভেন্দুর গড়ে দাঁড়িয়ে ফুঁসে উঠলেন দিলীপ
নন্দীগ্রাম থেকেই ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতনের সূচনা হয়েছিল। বিজেপির দাবি এই নন্দীগ্রাম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতনের সূচনা হবে।
নন্দীগ্রাম থেকেই ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতনের সূচনা হয়েছিল। বিজেপির দাবি এই নন্দীগ্রাম থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের পতনের সূচনা হবে। শনিবার নন্দীগ্রামে ঢুকতে না পেরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, আজ ফিরে যাচ্ছি, তবে আবার আসব। ঢুকব নন্দীগ্রামে।

পতনের সূত্রপাত হবে নন্দীগ্রাম থেকে
বিজেপি রাজ্য সভাপতির কথায়, যে জায়গা থেকে বাম জমানার অবসান ঘটানোর রসদ পেয়েছিল তৃণমূল, সেই জায়গা থেকেই তাদের পতনের সূত্রপাত হবে। তৃণমূলই সেই পরিস্থিতি তৈরি করে দিল। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে বিজেপিকে সুযোগ করে দিল তৃণমূলই।

দিলীপ ঘোষকে নন্দীগ্রামে ঢুকতে বাধা
বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে নাগরিকত্ব আইনের সমর্থনে মিছিল ঘিরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। শনিবার এই মিছিল চলার সময় পুলিশ তা আটকে দেয়। বিজেপির লোকজন ও পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলেও অভিযোগ।

পুলিশের কাজ শুধুমাত্র বিজেপিকে আটকানো
পুলিশ ও রাজ্য সরকারকে একহাত নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখন পুলিশের কাজ শুধুমাত্র বিজেপিকে আটকানো। আমরা মিছিলের অনুমতি চাইতে গেলে অনুমতি দেওয়া হয় না। পুলিশ রাজ্য সরকারের ও শাসক দলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। এই রাজ্য সরকারের স্বৈরাচারী ভূমিকা মানুষ দেখছেন। তারাই এর জবাব দেবেন। নন্দীগ্রাম থেকেই পতনের সূ্ত্রপাত হবে তৃণমূল সরকারের।

এই নন্দীগ্রামেই মমতাকে আটকে দেওয়া হয়েছিল
উল্লেখ্য, একটা সময় এই নন্দীগ্রামেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটকে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়ে রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল বামফ্রন্ট। তৎকালীন রাজ্য সরকারের সমালোচনায় এভাবেই মুখর হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন দিলীপ ঘোষ।












Click it and Unblock the Notifications