মুকুল ঘনিষ্ঠের এন্ট্রি মানবেন না দিলীপ, বিজেপিতে 'দ্বন্দ্ব' সুতীব্র হচ্ছে একুশের আগে
বিজেপিতে মুকুল বনাম দিলীপ দ্বন্দ্ব বেড়েই চলেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুব মোর্চার কমিটিতে কোনও পরিবর্তন তিনি চান না।
বিজেপিতে মুকুল বনাম দিলীপ দ্বন্দ্ব বেড়েই চলেছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যুব মোর্চার কমিটিতে কোনও পরিবর্তন তিনি চান না। অর্থাৎ যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক পদে মুকুল ঘনিষ্ঠের অনুমোদন তিনি দেবেন না। এ কথা দিলীপ ঘোষ সোজাসাপ্টা জানিয়ে দিয়েছেন বঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়কে।

কৈলাসের সঙ্গে বৈঠকে দিলীপ ঘোষ
শনিবার বিজেপির হেস্টিংস কার্যালয়ে কৈলাসের সঙ্গে বৈঠক হয় দিলীপ ঘোষের। সেখানে দিলীপবাবু জানিয়ে দিয়েছেন, যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক পদে তিনি কোনও পরিবর্তন চান না। অর্থাৎ তাঁর ঘনিষ্ঠ প্রকাশ দাসকে সরিয়ে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পাণ্ডার অনুমোদন তিনি দেবেন না।

সৌমিত্রের বিরুদ্ধে স্বজনপোষণের অভিযোগে পরই
গত রবিবার যুব মোর্চার রাজ্য কমিটি প্রকাশ করেন যুব মোর্চা সভাপতি সৌমিত্র খাঁ। জেলা সহ সভাপতি পদে সৌমিত্র স্বজনপোষণ করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। অর্থাৎ জেলায় তিনি সভাপতি পদে তাঁর নিজের লোককেই শুধু বসিয়েছেন বলে দলের অন্দরে ক্ষোভ তৈরি হয়। যার জেরে সেই তালিকা বাতিল হয়ে যায়।

বিজেপিতে দ্বন্দ্ব মুকুল বনাম দিলীপের!
তারপরই যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক পদে দিলীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ প্রকাশ দাসের অনুমনোদন নিয়ে প্রশ্নে ওঠে। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশ এই পদে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পাণ্ডাকে আনতে চান। তা নিয়েই বিজেপিতে দ্বন্দ্ব বাধে। তড়িঘড়ি সৌমিত্রকে ডেকে পাঠানো হয় দিল্লিতে।

বিজেপির যুব সংগঠনে মুকুল-সৌমিত্রদের কর্তৃত্ব!
সৌমিত্র এই পরিস্থিতিতে শঙ্কুদেব পাণ্ডার নাম ঘোষণা করে দায় সারতে চেয়েছিল। সেক্ষেত্রে সকল দায়ভার বর্তাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর। আর দিলীপ ঘোষের প্রস্তাবিত নাম বাদ দিয়ে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ নেতাকে আনা যাবে যুব মোর্চায়। বিজেপির যুব সংগঠনে মুকুল-সৌমিত্রদের কর্তৃত্ব কায়েম হবে। উল্লেখ্য সৌমিত্র খাঁও মুকুল-ঘনিষ্ঠ নেতাদের মধ্যে অন্যতম।

দিলীপবাবু কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক প্রসঙ্গে
বিশেষ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিলীপবাবু কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে বদলের পক্ষপাতী নন। দিলীপবাবু অবশ্য বলেন, কৈলাশজির সঙ্গে কোনও বৈঠক হয়নি। অনেকদিন ওঁর সঙ্গে দেখা হয়নি। তাই খানিক আড্ডা মেরে এলাম। তবে তিনি বলেন, যুব সাধারণ সম্পাদক পদে পরিবর্তন হবে বলে আমার জানা নেই।

মুকুল না দিলীপ কার পাল্লা ভারী!
রাজনৈতিক মহল মনে করছে, যুব মোর্চার রাজ্য কমিটিতে বদল এলে মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ নেতাদের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। এখন দিলীপ ঘোষের পাল্লাই ভারী রয়েছে। তাই প্রকাশ দাসের বদলে শঙ্কুদেব পাণ্ডার অনুমোদন তিনি চাইছেন না। এখন সৌমিত্র খাঁ, অনুপম হাজরা আবার শঙ্কুদেব পাণ্ডা তিনজনেই মুকুল রায়ের খাস লোক থেকে যাবেন যুব মোর্চার মাথায়।












Click it and Unblock the Notifications