করোনা রোধে কর্মসূচিতে গোমূত্র! দিলীপ, বাবুল দ্বিমতে শোরগোল
করোনভাইরাস মোকাবিলায় গোমূত্র পানের কর্মসূচি নিয়ে ফের প্রকাশ্যে দিলীপ ঘোষ, বাবুল সুপ্রিয়-র মতবিরোধ। এই কর্মসূচিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দুহাত তুলে সমর্থন করলেও, বাবুল সুপ্রিয় ভিন্ন মত পোষণ করেছ
করোনভাইরাস মোকাবিলায় গোমূত্র পানের কর্মসূচি নিয়ে ফের প্রকাশ্যে দিলীপ ঘোষ, বাবুল সুপ্রিয়-র মতবিরোধ। এই কর্মসূচিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দুহাত তুলে সমর্থন করলেও, বাবুল সুপ্রিয় ভিন্ন মত পোষণ করেছেন তাঁর মতে, যাঁরা ওটা সমর্থন করেন, তাঁরা নিজেদের ব্যক্তিগত বিশ্বাস থেকে করেন। কিন্তু তিনি সেটা করেন না।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে গোমূত্র পান কর্মসূচি
করোনার প্রতিরোধে গোমূত্র পান কর্মসূচি হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। জোড়াসাঁকোয় এক বিজেপি নেতার উদ্যোগে সেই কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল। সেই উদ্যোগকে সমর্থন করেছিলেন দিলীপ ঘোষ।

দিলীপ ঘোষের ব্যাখ্যা
এপ্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, হিন্দুর বাড়িতে যখন সত্যনারায়ণের সিন্ন দেওয়া হয়, তখন পঞ্চগব্য লাগে। এর মধ্যে থাকে গোমূত্রও। এছাড়াও হিন্দুদের নানা আটার অনুষ্ঠানে গোমূত্র ব্যবহার করা হয়। যা হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। গোমূত্র খেলে ক্ষতি হয় না বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।

পাল্টা বাবুল সুপ্রিয়
বুধবার করোনা ভাইরাস নিয়ে বাবুল সুপ্রিয় একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন টুইটারে। নিজের গাওয়া বলিউডি গানের দুচি লাইন তিনি সেখানে তুলে ধরেছেন। জনপ্রিয় সেই গানে দুজনের কাছাকাছি আসার কথা বলা হলেও, বাবুল সুপ্রি বলেন, আপাতত তার দরকার নেই। সংক্রমণ এড়াতে দূরত্ব বজায় রাখার কথা তিনি বলেন। যদিও টুইটাকে এক ব্যক্তি লেখেন গোমূত্র পান করুন, শক্তিশালী থাকুন।
সেই মন্তব্যের জবাব দেন বাবুল। তিনি সেখানে লেখেন, তিনি সেটা করেন না। আর ওটা যাঁরা করেন তাঁরা তাঁদের নিজেদের বিশ্বাস থেকে করেন। তিনি আরও বলেন, কেউ কেউ গেরুয়া পরে করেন। কিন্তু গেরুয়া মানেই বিজেপি নয়। আন্তর্জাতিক নেতার মতোই নরেন্দ্র মোদী বাস্তব সম্মতভাবে এবং বিজ্ঞান সম্মতভাবে করোনা ভাইরাস মোকাবিলার চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন বাবুল।

এর আগেও দ্বন্দ্ব
এর আগে গুলি মন্তব্য নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ঠিলেন দুই নেতা। দিলীপের মন্তব্য দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় বলে মন্তব্য করেছিলেন বাবুল। দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, যে যেমন বুঝেছেন, তিনি সেমন বলেছেন।
১ মার্চ কলকাতায় সভা করেন অমিত শাহ। তারপর দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগে রবিবার দিল্লি ফিরে যাওয়ার আগে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন অমিত শাহ। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, সেই সভায় বাবুল সুপ্রিয় অভিযোগ করেছেন, দলের মধ্যেই তিনি কাজে বাধা পাচ্ছেন।












Click it and Unblock the Notifications