• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    শালীনতা ছাড়িয়ে ধর্মতলার সভায় আবার মোদীকে বিঁধলেন মমতা

    • By Ananya Pratim
    • |
    ককক
    কলকাতা, ২৪ নভেম্বর: তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তবুও চোখা চোখা শব্দ ব্যবহার করে নরেন্দ্র মোদীকে বিঁধতে ছাড়লেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 'দাঙ্গাগুরু', 'হাতে রক্ত লেগে আছে' এ সব তো বললেনই, এমনকী তাঁর বিদেশ সফরগুলিতে কত টাকা খরচ হয়েছে, কে সেই টাকা দিল, এ সব প্রশ্নও ছুড়ে দেন তিনি। পাশাপাশি, বিজেপি এবং সিবিআইকেও বিঁধেছেন।

    সোমবার বিকেল তিনটে নাগাদ কলেজ স্কোয়্যার থেকে শুরু হয় তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিল। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেই মিছিলে হাঁটেন। মিছিল ধর্মতলায় পৌঁছনোর পর কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে ভাষণ দেন তিনি। প্রসঙ্গত, সারদা-কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত, বর্ধমান বিস্ফোরণে এনআইএ তদন্তের বিরোধিতা করে আজকের মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল।

    <blockquote class="twitter-tweet blockquote" lang="en"><p>Trinamool Chairperson flanked by other leaders during the protest march today <a href="http://t.co/vi7dALc0p3">pic.twitter.com/vi7dALc0p3</a></p>— AITC (@AITCofficial) <a href="https://twitter.com/AITCofficial/status/536856953180258304">November 24, 2014</a></blockquote> <script async src="//platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আদ্যশ্রাদ্ধ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেন, "আমাদের এখানে একজন সেলফি দাঙ্গাগুরু রয়েছেন। দাঙ্গাগুরু এখন আবার ধর্মগুরু হয়েছেন। গুজরাতে দাঙ্গা বাধিয়েছেন। মনে রাখবেন, বাংলার মাটিতে এ সব করতে পারবেন না। এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর সব জায়গায় দাঙ্গা হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, এমনকী দিল্লিতেও।"

    প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর তাঁর কর্মসূচির অঙ্গ এবং তা সরকারি খরচ, এটা জেনেও মমতা বলতে থাকেন, "আমরা চাই সব কালো টাকা ফেরত আসুক। প্রধানমন্ত্রী যে বিদেশ যান, সেই ব্যাপারে বিস্তারিত খরচ জানতে চাই। কারা এই টাকা দিচ্ছে? আমেরিকায় গিয়ে এত বড় করে সভা করলেন, কে দিল খরচ?"

    কেন্দ্রীয় সরকার ও সিবিআইকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেছেন, "সারা জীবন আমি মানুষের পাশে থেকে লড়েছি। আর লড়বও। আমাদের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাববেন না। আমি জানি, তৃণমূলকে হারাতে কাস্তে-হাতুড়ি, হাত আর পদ্ম এক হয়ে গিয়েছে। পারবেন না। কেন্দ্রের জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আমি জনসাধারণকে বাংলা থেকে দিল্লি নিয়ে যাব। এখন কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের কথা ভাবে না। ভাবে শুধু দাঙ্গার কথা। আমি কেন্দ্রীয় সরকারকে চ্যালেঞ্জ করছি, সাহস থাকলে আমায় গ্রেফতার করুন।"

    <blockquote class="twitter-tweet blockquote" lang="en"><p>Placards at the protest march earlier today <a href="http://t.co/jPejuXWZud">pic.twitter.com/jPejuXWZud</a></p>— AITC (@AITCofficial) <a href="https://twitter.com/AITCofficial/status/536856826285805568">November 24, 2014</a></blockquote> <script async src="//platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

    তাঁর দাবি, আগের এনডিএ সরকার ও বামফ্রন্টের আমলে চিটফান্ড জন্ম নিয়েছে। বরং তৃণমূল সরকার চিটফান্ডের মালিকদের গ্রেফতার করেছে। বর্ধমান বিস্ফোরণের দায়ও তিনি কেন্দ্রের ওপর চাপিয়ে দেন। বলেন, বিএসএফ, এসএসবি ইত্যাদি নিরাপত্তাবাহিনী সীমান্ত পাহারা দেয়। এরা কেন্দ্রের অধীন। তা হলে জঙ্গিরা এ দেশে কী করে ঢুকল? এর দায় কেন্দ্রীয় সরকারকে নিতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

    এ দিনের মিছিলে আর একটি আজব জিনিস দেখা গিয়েছে, যা আগে কখনও হয়নি। বহুল প্রচারিত একটি বাংলা সংবাদপত্রের সম্পাদকের ছবি নিয়ে মিছিল করেছেন তৃণমূল কর্মীরা। ছবির তলায় নিন্দামন্দ, গালাগালি। কেন ওই সম্পাদক পরিচালিত সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেল তৃণমূলের বিরুদ্ধে 'কুৎসা' করছে, এই ছিল মোদ্দা বিষয়বস্তু। কোনও রাজনীতিক দলের মিছিলে এর আগে এভাবে সংবাদপত্রের সম্পাদকের ছবি নিয়ে তোপ দাগা হয়নি।

    English summary
    Didi lambasts Narendra Modi in her speech at Esplanade
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more