প্রথম দুই দফায় পিছিয়ে পড়ে বৈঠকে মোদী-শাহ! বিজেপির হাঁড়ির খবর ফাঁস করল তৃণমূল
বিজেপি জানে যে তৃণমূল তাদের থেকে এগিয়ে আছে। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ডেরেক ও ব্রায়েন। এদিন সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তৃণমূল নেতা দাবি করেন যে বিজেপি যে বাংলায় তৃণমূলের থেকে পিছিয়ে রয়েছে, তা তারা জানে। তাই নরেন্দ্র মোদী এবং শাহ গত রাতে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে বৈঠকে বসেছিলেন। যদিও শুক্রবার বাংলায় প্রচারে এসে অমিত শাহ দাবি করেছিলেন যে প্রথম দুই দফার ৬০টি আসনের মধ্যে অন্তত ৫০টিতে জিতছে বিজেপি। এমনকি নন্দীগ্রামে জেতার বিষয়েও আশাবাদী গেরুয়া শিবির।

'তৃণমূলের থেকে ৬ শতাংশ পিছিয়ে বিজেপি'
এদিন ডেরেক ও ব্রায়েন বলেন, 'গতরাতে পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠকে বসেছিলেন মোদী-শাহ। তাঁরা জানেন যে বাংলায় আমরা তাঁদের থেকে এগিয়ে রয়েছি। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে আমরা বিজেপির থেকে ৩ শতাংশ এগিয়ে ছিলাম। এবার সেই ব্যবধান বেড়ে ৬ শতাংশ হয়েছে। বড় বড় কথা বলেও পর্যটকদের দল পিছিয়ে রয়েছে। তাই তারা মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে খেলতে চাইছে।'

'নন্দীগ্রামে জিতছেন মমতাই'
এদিন তৃণমূল নেতা আরও দাবি করেন যে, 'নন্দীগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেস জিততে চলেছে। অন্য কোনও কেন্দ্র থেকে ভোট লড়বেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি হার নিশ্চিত জেনে ভোটারদের মস্তিষ্ক নিয়ে খেলতে চাইছে।' উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোট মিটতেই বিজেপির তরফে দাবি করা হয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে হারছেন জেনে বীরভূমের কোনও কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নির্বাচনী জনসভায় এসে নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং এই দাবি করে যান। এরপরই বিজেপি মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেস।

বয়াল নিয়ে মমতার অভিযোগ
প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট ছিল বৃহস্পতিবার৷ ভোটকে কেন্দ্র করে অশান্তির খবর মিলেছে দিনভর৷ ওইদিন নন্দীগ্রামের বয়াল মক্তব প্রাইমারি স্কুলে গিয়ে আটকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ আর এই ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়ে শুক্রবার৷

মমতার দাবিকে উড়েয়ে দেয় কমিশন
কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে যে, সেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে উত্তপ্ত পরিস্থিতি সত্ত্বেও বৃহস্পতিবার বয়ালে ভোটগ্রহণ ব্যহত হয়নি। এই কেন্দ্রে ছাপ্পা ভোট পড়েছে বলে তৃণমূল কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা আটকে পড়েছিলেন। সেখানে ভোটে কারচুপি করা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন। এদিকে বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয় যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুই ঘণ্টা বুথে বসে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যহত করেন।












Click it and Unblock the Notifications