• search

বুধবার মুকুলের এই মামলার শুনানি, অভিযুক্ত মমতার সরকারের জবাবদিহি তলব

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    ফোনে আড়িপাতার অভিযোগে মুকুল রায়ের করা মামলার শুনানি হতে চলেছে দিল্লি হাইকোর্টে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে তাঁর ফোনে আড়ি পাতা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে দিল্লি হাইকোর্টে অভিযোগ জানান মুকুল রায়।

    বুধবার মুকুলের এই মামলার শুনানি, অভিযুক্ত মমতার সরকারের জবাবদিহি তলব

    কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গ নয়। এখন দিল্লির ভোটার মুকুল রায়। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাঁর চারচারটি ফোন নম্বরে আড়ি পাতছে বলে দিল্লি হাইকোর্টেই অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগ বেশ কয়েক মাস ধরে আড়ি পাতার কাজ চলছে। আগে তৃণমূলে থাকলেও, বর্তমানে যাঁরা তৃণমূলের নেই, তাঁদের ফোনে রাজ্য সরকার আড়ি পাতছে বলে অভিযোগ।

    দিল্লি হাইকোর্টে অভিযোগ জানানোর পর ২০ নভেম্বর দিল্লি হাইকোর্ট, কেন্দ্রীয় টেলিকম মন্ত্রক, মুকুল রায়কে পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ভোডাফোন, এমটিএমএল এবং রাজ্য সরকার, পশ্চিমবঙ্গের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে নোটিশ দেয়। ৭ ডিসেম্বরের মধ্যে তাদের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিল বন্ধ কামে জবাব চেয়ে পাঠিয়েছিলেন বিচারপতি বিভু ভাকরু। আড়ি পাতা হয়ে থাকলে কার নির্দেশে হয়েছে, তারও জবাব চেয়েছেন বিচারপতি।

    রাজ্য ও কেন্দ্রে কৌসুলিরা মামলাটি পশ্চিমবঙ্গের আদালতে হওয়া উচিত বলে যুক্তি দিয়েছিলেন। মুকুল রায়ের আইনজীবীর পাল্টা যুক্তি ছিল তিনি সবসময়ই পুলিশের নজরদারিতে থাকেন। তাছাড়া তিনি এই মুহূর্তে দিল্লির ভোটার।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাজ্য সরকার তাদের হলফনামায় জানিয়েছে, টেলিফোনে আড়ি পাতা নিয়ে মুকুল রায়ের অভিযোগ ভিত্তিহীন।

    এক সাক্ষাৎকারে মুকুল রায় অভিযোগ করেছিলেন সিঙ্গুর আন্দোলনের সময়েও, তৎকালীন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সরকারও যে কাজ করেনি এখন সেই কাজ করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার।

    English summary
    Delhi High Court will hear the Phone tapping case of Mukul Roy on Wednesday.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more