• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নাগরিকত্ব আইনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৬, অসম-বাংলা সহ জ্বলছে উত্তর-পূর্ব ভারত

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আইনে পরিণত হওয়ার আগে থেকেই অসম জ্বলছে। সেই আগুন আরও বেড়েছে নাগরিকত্ব বিল আইনে পরিমত হওয়ার পর। অসমে প্রতিবাদ-বিক্ষোভের জেরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়ে। এদিন গুলিবিদ্ধ আরও এক যুবকের মৃত্যু হল। মৃত্যু হল তেল ট্যাঙ্কারের চালকেরও। তারপরও আগুন নেভার লক্ষণ নেই।

নাগরিকত্ব আইনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৬, অসম-বাংলা সহ জ্বলছে উত্তর-পূর্ব ভারত

পরিস্থিতি যত দিন আছে, ততই ঘোরালো হয়ে পড়ছে। অসমে ই্টারনেট পরিষেবা বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। আরও ৪৮ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে মেয়াদ। ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তা বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। গুয়াহাটিতে কারফিউ শিথিল করা হলেও বাকি অংশ এখনও থমথমে।

শুক্রবার রাতে সোনিতপুর জেলায় একদল লোক আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল একটি তেল ট্যাংকারে। ওই তেল ট্যাংকারের চালক মৃত্যু হল। তার আগে বিক্ষোভ প্রশমিত করতে চলেছিল গুলি। সেই গুলিকাণ্ডে মৃত্যু হল আরও একজনের। জানা গিয়েছে মৃতের সংখ্যা বেসরকারি মতে ৬ জন।

CAA ঘিরে উত্তপ্ত পরিস্থিতিও বিজেপির ভোটব্যাঙ্কেই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে! পদ্মশিবিরে ভোট-গণিত তুঙ্গে

শুধু অসমে নয়, জ্বলছে ত্রিপুরা, জ্বলছে বাংলাও। বিক্ষোভকারীরা রেলের সম্পত্তি ধ্বংস করে দিচ্ছেন। বাংলায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ হচ্ছে সবথেকে বেশি মুর্শিদাবাদ, মালদহ ও হাওড়া জেলায়। এই বিক্ষোভের ফলে দক্ষিণ-পূর্ব রেল এবং হাওড়া ও শিয়ালদা বিভাগে ট্রেন চলাচল প্রভাবিত হয়েছিল। মুর্শিদাবাদ জেলার কৃষ্ণপুর স্টেশনে বেশ কয়েকটি খালি ট্রেনে আগুন দেওয়া হয়। লালগোলা স্টেশনে ভাঙচুর চালানো হয়। আন্দোলনকারীরা মালদহ জেলার হরিশচন্দ্রপুরে রেলপথে আগুন ধরিয়ে দেয়। হাওড়া জেলার সাঁকরাইল রেলস্টেশনের টিকিট কাউন্টারে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। এর ফলে সিগন্যালিং সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে পড়ে।

BBC

English summary
The Death toll more increased due to protest against Citizenship amended Act 2019. Already Six are died in Assam
For Daily Alerts
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more