আম্ফান-ইয়াসের মতোই ধেয়ে আসবে সাইক্লোন 'গুলাব'! কোন দেশ দিয়েছে এই নাম

আছড়ে পড়েছে ইয়াস। প্রায় ঘন্টায় ১৫০ কিমি বেগে আছড়ে পড়েছে এই ঝড়। বরাত জোড়ে বেঁচে গিয়েছে বাংলা। যদিও উপকূল এলাকাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দিঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমণি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে বলে দাবি সেখাকার মানুষজনের।

আছড়ে পড়েছে ইয়াস। প্রায় ঘন্টায় ১৫০ কিমি বেগে আছড়ে পড়েছে এই ঝড়। বরাত জোড়ে বেঁচে গিয়েছে বাংলা। যদিও উপকূল এলাকাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দিঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমণি ধূলিসাৎ হয়ে গিয়েছে বলে দাবি সেখাকার মানুষজনের।

শুধু তাই অয় সুন্দরবনের বিশাল অংশ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জল ঢুকে গিয়েছে একের পর এক জায়গাতে। গত কয়েকদিন ধরে ইয়াস নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক ভয় তৈরি করে।

আগামিদিনে আরও ঝড় তৈরি হবে

আগামিদিনে আরও ঝড় তৈরি হবে

এবারের এই ঝড়ের নাম দিয়েছিল ওমান। জানা গিয়েছে, এই পার্শি শব্দের অর্থ সুগন্ধী ফুলের গাছ। যেটা জুঁইয়ের কাছাকাছি। 'ইয়াস' শব্দের অন্য একটি অর্থের কথাও বলা হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, এর মানে দুঃখ বা হতাশা। তবে যেভাবে সরকার কাজ করেছে তেমন প্রাণহানির মতো তেমন দুঃখজণক ঘটনা ঘটেনি। তবে যেভাবে উষ্ণায়ণ বাড়ছে তাতে শুধু ইয়াস নয়, আগামিদিনে আরও ঝড় তৈরি হবে। এমনটাই আশঙ্কা আবহাওয়াবিদদের।

ধেয়ে আসবে গুলাব

ধেয়ে আসবে গুলাব

আবহাওয়া গবেষকরা বলছেন, আগামী যে ঝড়টি ধেয়ে আসবে তার নাম দেওয়া হবে 'গুলাব'। এই নামটি ঠিক করে রেখেছে পাকিস্তান। উল্লেখ্য ইয়াসের আগে বাংলায় আছড়ে পড়ে আম্ফান। সেই সময় ঝড়ের নামকরণ করেছিল তাইল্যান্ড। আবার 'ফণী' ঝড়ের নাম দিয়েছিল বাংলাদেশ। 'বুলবুল' নাম ছিল পাকিস্তানের দেওয়া। একটা সময়ে বিভিন্ন সংখ্যা দিয়ে ঝড়কে চিহ্নিত করা হত। তথ্য বলছে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার অন্তর্ভুক্ত আটটি দেশ। দেশগুলি হল বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মায়ানমার, মলদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, তাইল্যান্ড এবং ওমান।

ভারতের তরফেও অনেক ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে

ভারতের তরফেও অনেক ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে

এই প্যানেলকে বলা হয় ইকনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়া অ্যান্ড দা প্যাসিফিক (এএসসিএপি)। ভারতের তরফেও অনেক ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নতুন করে আরও বেশ কয়েকটি ঝড়ের নাম তৈরি করা হয়েছে। তবে গুলাব নিয়ে এখনই চিন্তার কিছু নেই। ভারত মহাসাগর ক্রান্তীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের মরশুম শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে গতবারের মতো এবার ঘূর্ণিঝড়ের আভাস নেই আগামী একমাসের মধ্যে। আবহবিদরা জানিয়েছেন, এপ্রিল শেষের আগে ভারত মহাসাগরীয় ক্ষেত্রে বঙ্গোপাসাগর বা আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসার সম্ভাবনা একেবারে ক্ষীণ।

ঘূর্ণিঝড় থেকে সাময়িক নিস্তার মিলবে এবার!

ঘূর্ণিঝড় থেকে সাময়িক নিস্তার মিলবে এবার!

ফলত প্রাক-বর্ষার মরশুমে ঘূর্ণিঝড় থেকে সাময়িক নিস্তার মিলবে এবার! প্রতি বছরই মার্চ মাসে পর থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বয়ে নিয়ে আসে ভারতীয় উপকূলে। গতবার আম্পান তাণ্ডবলীলা চালিয়ে গিয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে। ১৩টি দেশ ১৩টি করে নাম দিয়ে ১৬৯টি নামের তালিকা প্রস্তুত করেছে। সেই হিসেবেই পর্যায়ক্রমে নাম পেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়সমূহ। আম্ফানের নাম ব্যবহারের পরে ২০০৪ সালে তৈরি আট সারি তালিকা শেষ হয়ে গিয়েছে।

২০২০ সালে প্রকাশিত ১৩ সারি তালিকার নাম

২০২০ সালে প্রকাশিত ১৩ সারি তালিকার নাম

পরবর্তী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়গুলি ২০২০ সালে প্রকাশিত ১৩ সারি তালিকার নাম ব্যবহার করে আসছে।পর্যায়ক্রমে ১৩টি দেশকে সাজানো হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে শুরু করে ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, আরব আমিরশাহী ও ইয়েমেন। এই দেশগুলি থেকে ১৩টি করে নাম নেওয়া হয়েছে, তা পর্যায়ক্রমে সাজানো হয়েছে। সেই পর্যায়ক্রমিক নিসর্গ, গতি, নিভার ও বুরেভি ২০২০ সালেই বয়ে গিয়েছে।১৩টি দেশের দেওয়া প্রথম নামের মধ্যে পর্যায়ক্রমে- তাউটে, ইয়াস, গুলাব, শাহীন, জওয়াদ, অশনি, সিতরং, ম্যানডৌস এবং মোচা নামক ঝড় আগামী দিনে বয়ে আসতে পারে। আবহবিদরা জানিয়েছেন, এপ্রিলে না হলেও মে-জুন মাসে এবছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড় 'তাউটে' তৈরি হতে পারে। এই ঝড়ের নাম দিয়েছে মায়ানমার। তারপরের দুটি ঝড় যান ও গুলাবের নামকরণ যথাক্রমে ওমান ও পাকিস্তানের করা।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+