সিপিএম পড়েছে শাঁখের করাতে, উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়ে গেলেও জোট-সিদ্ধান্ত ঝুলে
সিপিএমের অবস্থা শাঁখের করাতের মতো। বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে এখন উভয় দিকের চাপ সহ্য করতে হচ্ছে সিপিএমকে। বিমান বসুকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখেছেন সোমেন মিত্র।
সিপিএমের অবস্থা শাঁখের করাতের মতো। বাম-কংগ্রেস জোট নিয়ে এখন উভয় দিকের চাপ সহ্য করতে হচ্ছে সিপিএমকে। বিমান বসুকে উদ্দেশ্য করে চিঠি লিখেছেন সোমেন মিত্র। চিঠি লিখেছেন ফরওয়ার্ড ব্লক সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়ও। চাপ রয়েছে সিপিএমেরও। কিন্তু জোট নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত অধরা। এখনও প্রাথমিক অবস্থায় পড়ে রয়েছে বাংলায় বাং-কংগ্রেস জোট।

কংগ্রেস ও বামশিবিরেও একাংশের মত, অযথা দেরি করা হচ্ছে জোট গড়তে। এভাবে চললে জোট গড়েও কোনও ফায়দা তোলা যাবে না। মানুষের বিশ্বাসই অর্জন করতে পারবে নাজোট। আশা জাগিয়েও যেভাবে কংগ্রেস-বামেদের জোট ব্যর্থ হয়েছিল ২০১৬ সালে। এবারও সেই একই অবস্থা হবে।
যৌথ আন্দোলনের ধুয়ো তোলা হলেও, একসঙ্গে পথ চলা শুরু হয়নি আজও। ভাবতে ভাবতেই তিন বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বাম-কংগ্রেস পড়ে রয়েছে সেই একই অবস্থানে। তাঁরা এখনও জানেন না তাঁরা কীরবেন, জোট গড়েই লড়া হবে, নাকি একা একাই লড়বে বাম-কংগ্রেস।
একমাস পরেই ভোট, অথচ আজও যৌথ আন্দোলন গড়ে তুলতে পারল না সূর্যকান্ত মিশ্র-বিমান বসু বা সোমেন মিত্ররা। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র চিঠি দিলেন বিমান বসুকে। তিনি বিমান বসুকে লেখেন, অবিলম্বে জোট নিয়ে সিদ্ধান্ত নিন। অযথা সময় নষ্ট করে লাভ নেই। যদিও এই চিঠি পাওয়ার পরই তড়িঘড়ি বৈঠক ডেকেছেন বিমান বসু।
লোকসভা ভোটে পর্যুদস্ত হওয়ার পরই বাম ও কংগ্রেস জোট গড়ে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয়। যৌথ আন্দোলনের ডাক দেয় দুই নেতৃত্বে। এরপর গান্ধী জন্মজয়্ন্তী উপলক্ষে প্রদর্শনীতে অংশ নিতে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে গিয়েছিলেন বিমান বসু-সূর্যকান্ত মিশ্র-সহ বাম নেতারা। সেদিন দু-পক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়েছিল। যৌথ মঞ্চ গড়ে বাম ও কংগ্রেস তৃণমূল-বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলবেন বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্তও হয়েছিল সেদিন।
কিন্তু তারপর সেভাবে কোনও যৌথ কর্মসূচিতে দেখা যায়নি বাম-কংগ্রেসকে। তারপর একাধিকবার ফোনে কথা হলেও কোনও কর্মসূচি হয়নি যৌথ। এই পরিস্থিতিতে ভাবতে ভাবতেই উপনির্বাচনের সময় এসে গিয়েছে। আর সমস্ত চাপ এসে পড়েছে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের উপর। কংগ্রেসও চাপ দিচ্ছে একদিক দিয়ে। অন্যদিকে চাপ সৃষ্টি করছে বাম শরিকরাও। বিশেষ করে ফরওয়ার্ড ব্লক তো কংগ্রেস ও সিপিএম উভয়কেই চিঠি দিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications