সিপিএমের ‘মেয়র’কেই প্রশাসক বাছতে চলেছেন মমতা! পদ নিয়ে দোলাচলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
সিপিএমের ‘মেয়র’কেই প্রশাসক বাছতে চলেছেন মমতা! পদ নিয়ে দোলাচলে আলিমুদ্দিন স্ট্রিট
করোনা লকডাউনের জেরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভোটের ভবিষ্যৎ অন্ধকার হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় রাজ্যের ৮৫টি পুরসভায় মেয়র বা চেয়ারম্যানকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সম্প্রতি কলকাতা পুরসভার প্রশাসক পদেও বসানো হয়েছে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে। এখন প্রশ্ন শিলিগুড়িতেও কি মেয়র অশোক ভট্টাচার্য বসবেন প্রশাসক পদে?

শ্যাম রাখি বা কুল রাখি!
ঠিক এখানেই বেধেছে সমস্যা। এমনই সমস্যা সিপিএমের কাছে তৈরি হয়েছে যে, শ্যাম রাখি বা কুল রাখি। এতদিন গণতন্তক্র রক্ষার দাবিতে ভোটের জন্য সওয়াল করে এসেছেন। এখন যদি তাঁদের দলের তরফেই প্রশাসক পদ গ্রহণ করা হয়, তাহলে ধর্মসংকট তৈরি হবে। তাহলে কী করবে সিপিএম?

বামপন্থী নীতি-আদর্শের পরিপন্থী
রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত বামপন্থী নীতি-আদর্শের পরিপন্থী। বামপন্থীরা বিনা ভোটে প্রশাসক পদে নিয়োগ মেনে নিতে পারছেন না। আলিমুদ্দিন স্ট্রিট তই অশোক ভট্টাচার্যের প্রশাসক পদ নিয়ে দোলাচলে পড়ে গিয়েছে। এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না সিপিএম। অশোক ভট্টাচার্যের প্রশাসক-পদও তাই ঝুলে রয়েছে।

সিপিএমেই দ্বিমত প্রশাসক পদ নিয়ে
তবে সিপিএম একপ্রকার জানিয়েই দিয়েছে, এই পদ গ্রহণ করবে না সিপিএম। সিপিএম বরাবর নির্বাচনের পক্ষে সওয়াল করে এসেছে। এখন প্রশাসক পদ নিয়ে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাবে। আবার সম্পাদকীয় মণ্ডলের একাংশ মনে করছে করোনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তাই সিপিএম এই সিদ্ধান্ত না মানলেই মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাবে।

প্রশাসক পদ নিয়ে কী ভাবছেন অশোক
তাই আলিমুদ্দিনও সংশয়ে। তবে এসব নিয়ে এখনই ভাবতে রাজি নন অশোক ভট্টাচার্য। সরকারি কাগজ হাতে পেলেই তিনি ভাববেন এই বিষয়ে। আর সিদ্ধান্ত যা নেওয়ার নেবে দল। উল্লেখ্য ১৭ মে শেষ হচ্ছে শিলিগুড়ি পুরসভার বর্তমান বোর্ডের মেয়াদ। অতএব এর মধ্যেই যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নিতে হবে। নবান্ন তাঁকেই প্রশাসক পদে নিয়োগ করতে চলেছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রের খবর।












Click it and Unblock the Notifications