পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য দিনরাত কাজ সস্ত্রীক অধীরের! অফিস হয়ে উঠেছে কন্ট্রোল রুম
পরিযায়ী শ্রমিকদের সহযোগিতা করতে নিজের অফিসকে কন্ট্রোল রুমে পরিণত করলেন লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা অধীর চৌধুরী। লকডাউন শুরুর সময় থেকেই তিনি দিল্লির সরকারি বাংলোয় রয়েছেন। সেখানেই রয়েছে তাঁর অফিস।
পরিযায়ী শ্রমিকদের সহযোগিতা করতে নিজের অফিসকে কন্ট্রোল রুমে পরিণত করলেন লোকসভায় কংগ্রেস দলনেতা অধীর চৌধুরী। লকডাউন শুরুর সময় থেকেই তিনি দিল্লির সরকারি বাংলোয় রয়েছেন। সেখানেই রয়েছে তাঁর অফিস। সেই অফিস থেকেই সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা পশ্চিমবঙ্গের পরিযায়ী শ্রমিকদের সাহায্য করছেন তিনি।

অফিস হল কন্ট্রোল রুম
শুধু পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেই নয়, বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়েছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। লকডাউন শুরু পর থেকে যেখান থেকে খবর পাচ্ছেন, দিল্লি থেকে সেইসব শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তিনি। সে বিজেপি শাসিত রাজ্যই হোক কিংবা বিজেপি সাংসদ, ফোন করে শ্রমিকদের অবস্থান জানিয়ে সাহায্যের আবেদন করছেন তিনি। দিল্লিতে সরকারি বাসভবনে যে অফিস রয়েছে তাঁর, এবার সেই অফিসকেই কন্ট্রোল রুমে পরিণত করলেন তিনি।

স্ত্রী ও কর্মী নিয়ে পরিযায়ীদের সাহায্য
অফিসের কর্মীদের পাশাপাশি স্ত্রী অতসীও এই কাজে তাঁকে সাহায্য করছেন। যেখান থেকেই পরিযায়ী শ্রমিকদের ফোন পাচ্ছেন, সেখানকার প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের পাশাপাশি দলীয় কর্মীদেরও অনুরোধ করছেন যাতে সেইসব পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানো যায়।

নিজের কেন্দ্র বহরমপুর থেকেও ফোন
সারা দেশে আটকে পড়া পরিযায়ীরাই শুধু নন, নিজের কেন্দ্র বহরমপুর থেকেও তিনি দিনে ৫০০ থেকে ৬০০ ফোন পাচ্ছেন। অনেক সময় ফোনের অপর প্রান্ত থেকে কান্নাও ভেসে আসছে। আটকে পড়া পরিযায়ী শ্রমিকরা বলছেন খাবার কিংবা আশ্রয়স্থলের জন্য। নিজের জানিয়েছেন, বহরমপুরে মানুষদের বেশিরভাগই গরিব, শ্রমিক। তাঁদের সাহায্যের দরকার।

যেভাবে সাহায্য
অধীর চৌধুরী সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, সারা দেশে নিজের দলের নেতা কর্মীদের কাছে তিনি সাহায্যের জন্য আবেদন জানাচ্ছেন। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং স্থানীয় সাংসদদের কাছেও আবেদন জানাচ্ছেন। এমন কি এই পরিস্থিতিতে বিজেপি সাংসদ কিংবা মন্ত্রীদের কাছে দরবার করতেো দ্বিধা করছেন না। প্রয়োজনে সরাসরি ফোন করছেন নির্দিষ্ট জায়গায় জেলাশাসককে।












Click it and Unblock the Notifications