বিজেপির বিরুদ্ধে চলে গেল সবাই! তৃণমূলের পর বামফ্রন্ট-কংগ্রেসও আক্রমণ শানালেন একে একে
বিজেপির বিরুদ্ধে চলে গেল সবাই! তৃণমূলের পর বামফ্রন্ট-কংগ্রেসও আক্রমণ শানালেন একে একে
করোনার হানায় কাঁপছে ভারত। এখ গোটা দেশজুড়েই বিরাজ করছে করোনা আতঙ্ক। তবু কিছুতেই রাজনীতির অন্ধ গলি থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না কেউ। না কেন্দ্র, না রাজ্য- উভয়ের অবস্থান নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। কঠিন সময়ে অন্তত এক হয়ে লড়াইয়ের আবহ ও পরিবেশ কিছুই দেখা যাচ্ছে না বাংলায়।

তৃণমূলের পর বাম-কংগ্রেসও
রাজ্যে কেন্দ্রীয় দলের আগমন নিয়ে মমতার সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছেন। এই অবস্থায় কেন্দ্রের দল পাঠানোকে একেবারেই ভালো চোখে দেখছে না তৃণমূল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এবার দেখা গেল এই ইস্যুতে বাম-কংগ্রসকেও বিজেপির সমালোচনা করতে।

টুইটে সিদ্ধান্তে মানেই নেপথ্য রাজনীতি
বামেদের পক্ষে সুজন চক্রবর্তী কঠোর সমালোচনা করেছেন উভয় সরকারেরই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাজের পদ্ধতি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলে দেন। সুজনবাবু বলেন, টুইট করে কোনও সিদ্ধান্ত জানানো মানেই তার পিছনে লুকিয়ে আছে রাজনীতি। আর সেটাই করেছে মোদী-শাহের সরকার।

সুযোগ পেলাম তো রাজনীতি করে নিলাম
সুজনের কথায়, ৯টা ৫৭ মিনিটে টুইট করে জানানো হল, আর তারপরই কেন্দ্রীয় দল পৌঁছে গেল- এটা কোনও পদ্ধতি হতে পারে না। আসনে এই মনোবৃত্তি হল সুযোগ পেলাম তো একটু রাজনীতি করে নিলাম। কিন্তু আমরা এই রাজনীতি চাই না। মোদী আর মমতা ঝগড়া করবে আর ভুগবে সাধারণ মানুষ, তা হবে না।

অধিকার ফলালে হবে না, দায়িত্বও আছে
সুজনের মতো বিপন্ন মানুষের সমাধান সর্বাগ্রে চান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় নির্দেশিকার কেন্দ্রের অধিকারের কথা উল্লেখ আছে, কিন্তু দায়িত্বের কথা বলা নেই। মনে রাখবেন অধিকার ফলালেই হবে না, দায়িত্বও পালন করতে হবে।

রাজায় রাজায় যুদ্ধে উলুখাগড়ার প্রাণ যায়
আবদুল মান্নান বলেন, রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, আর উলুখাগড়ার প্রাণ যায়। কখনই সাধারণ মানুষের জন্য এই পরিস্থিতি কাম্য নয়। তাই দুই সরকারই ভেবে দেখুক, এই করোনা পরিস্থিতিতে সর্বাগ্রে কোন কাজটা করা দরকার। মোদী সরকার ও মমতার সরকারের কাছে কংগ্রেসের সেই প্রার্থনা।












Click it and Unblock the Notifications