একইসঙ্গে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা! প্রবল ঠান্ডার কামড়ে উত্তর ভারত, স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করল হাওয়া অফিস
একইসঙ্গে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা! প্রবল ঠান্ডার কামড়ে উত্তর ভারত, স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করল হাওয়া অফিস
আবহাওয়া দপতর পূর্বাভাস দিয়েছিল আগেই। দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের নানা জায়গায় শৈত্যপ্রবাহের (cold wave) কবলে। তাপমাত্রা নেমেছে স্বাভাবিকের থেকে অনেকটা নিচে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘন্টায় পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লিতে তাপমাত্রা নেমেছে ১-২ ডিগ্রি। এছাড়াও রাজস্থানে ৩-৫ ডিগ্রি তাপমাত্রা কমে গিয়েছে।

চুরুতে তাপমাত্রা নেমেছে ০.৬ ডিগ্রিতে
আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন চুরুতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ০.৬ ডিগ্রিতে। এরপরে নারাউল এবং লুধিয়ানার তাপমাত্রা যথাক্রমে ১.৬ এবং ২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগেই অবশ্য আবহাওয়া দফতরের তরফে পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল মঙ্গলবার থেকে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আবহাওয়া দপফতের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কোনও জায়গায় ন্যূনতম তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামে কিংবা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি নেমে যায়, তখনই শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তা
আবহাওয়া দফতরের তরফে সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, শৈত্যপ্রবাহ কিংবা অতি শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে পঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, উত্তর রাজস্থানের কোনও কোনও জায়গায়। মঙ্গলবারের মধ্যে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। এছাড়াও গ্রাউন্ড ফ্রস্ট এবং ঘন কুয়াশাও থাকবে এলাকার কোনও কোনও জায়গায়।

একইসঙ্গে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা
আবহাওয়া দফতরের আরও জানানো হয়েছে, একই সঙ্গে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, জম্মু, কাশ্মীর ও লাদাখে। এছাড়াও বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি ও তুষারপাত হতে পারে হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে। বৃষ্টি কিংবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে পঞ্জাব, হরিয়ানা ও চণ্ডিগড়ের কোনও কোনও জায়গায়। ৩১ ডিসেম্বর নাগাদ ঘন থেকে অতি ঘন কুয়াশা থাকতে পারে পঞ্জাব, হরিয়ানা, চন্ডিগড়, দিল্লিতে।
কাশ্মীরে ইতিমধ্যেই চিল্লাই কালানের অধীনে। প্রবল ঠান্ডার কবলে ভূস্বর্গ। লেকগুলিও জমে বরফ হয়ে গিয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডাল লেক। এছাড়াও জল সরবরাহ ব্যবস্থাতেও প্রবাভ পড়েছে এই ঠান্ডায়।

সমতলেও শৈত্যপ্রবাহ
আবহাওয়া দফতরের তরফে বলা হয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে তাপমাত্রা বাড়লেও, যেই তা চলে যাবে, তারপরেই শৈত্যপ্রবাহ কিংবা অতি শৈত্যপ্রবাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে। সেই অনুযায়ী, উত্তরাখণ্ড এবং হিমাচল প্রদেশের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশেও ৩০ ডিসেম্বর থেকে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। সৌরাষ্ট্রের উত্তরাংশ এবং কচ্ছ-এ মঙ্গলবার নাগাদ শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications