মমতার প্রত্যাবর্তন হবে ২০২১-এর নির্বাচনে, জনমত সমীক্ষায় কার কত আসন একনজরে
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন বাংলায়। দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি এখনও। তবে তার আগেই জনমত সমীক্ষা নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থা।
২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন বাংলায়। দিনক্ষণ ঘোষণা হয়নি এখনও। তবে তার আগেই জনমত সমীক্ষা নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন সমীক্ষক সংস্থা। এবার সিএনএক্স জানিয়ে দিল বাংলার ক্ষমতা কার হাতে উঠতে পারে, তার একটা আভাস পাওয়া গিয়েছে। সমীক্ষায় আভাস বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
১

তৃণমূল কতগুলি আসন পেতে পারে
সিএনএক্সের সমীক্ষায় আভাস মিলেছে, বাংলায় টানা তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের হ্যাটট্রিক রুখতে পারছে না বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাপ্ত আসন সংখ্যা এবার অনেক কমবে বলেই মনে করছেন সমীক্ষকরা। আবার খুব খারাপ হলে ম্যাজিক ফিগারের আগেই থমকে যেতে পারে তৃণমূল। সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২১-এ তৃণমূল পেতে পারে ১৪৬ থেকে ১৫৬টি আসন।

বিজেপি কতগুলি আসন পেতে পারে
সিএনএক্সের সমীক্ষা বিজেপির উত্থানের ছবিই স্পষ্ট করেছে। তৃণমূলকে হারাতে সম্ভবপর না হলেও প্রধান বিরোধী দল হিসেবে এবার উঠে আসছে তারাই। সমীক্ষা অনুযায়ী ১১৩ থেকে ১২১টি আসন পেতে পারে তারা। গতবারের তুলনায় বহু গুণ আসন বাড়িয়ে নিতে সমর্থ হবে তারা। তবে ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে পারবে না বিজেপি।

বাম-কংগ্রেস কতগুলি আসন পেতে পারে
সিএনএক্সের সমীক্ষা অনুযায়ী বাম-কংগ্রেস জোট এবার তাদের বিরোধী তকমা ধরে রাখতে পারবে না। তারা নেমে যাবে তৃতীয় স্থানে। বাংলায় নির্বাচনী লড়াইয়ে জোট করে কোনওরকমে তারা অস্তিত্ব বাঁচাতে সমর্থ হবে। সমীক্ষায় আভাস বাম ও কংগ্রেস জোট পেতে পারে ২০ থেকে ২৮টি আসন। এই আসন সংখ্যা গতবারের তুলনায় অনেক কম। তবে লোকসভার তুলনায় ভালো।

অন্যান্যরা কতগুলি আসন পেতে পারে
এবার বাংলায় নতুন দল হিসেবে ময়দেন নামছে আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। আসাদউদ্দিন ওয়েইসির মিমের সঙ্গে জোট ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে তাদের। সিদ্দিকি-ওয়েইসির এই জোট এবং অন্যান্যরা অবশ্য তেমন দাগ কাটতে পারবে না। তারা পেতে পারে ১ থেকে ৩টি আসন।

২০১৬-র নিরিখে ২০২১-এর সমীক্ষা
২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ আসন বিশিষ্ট পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ২১১টি আসন। বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ৩টি আসন। আর বাম-কংগ্রেস জোট পেয়েছিল ৭৭টি আসন। বাম-কংগ্রেস প্রধান বিরোধী শক্তি হয়েছিল। সম্ভাবনা তৈরি করেও ক্ষমতার ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি বাম-কংগ্রেস। বিপুল আসনে জিতে সেবারও ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

২০১৯-এর নিরিখে ২০২১-এর সমীক্ষা
আর ২০১৯-এর লোকসভা ৪২-এ ৪২ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে লড়াইয়ে নেমে তৃণমূল অর্ধেক হয়ে গিয়েছিল। সেই নিরিখে বিধানসভা আসনের ১৬৪টিতে এগিয়ে ছিল তৃণমূল। আর বিজেপির লোকসভা আসন সংখ্যা ২ থেকে বেড়ে ১৮ হওয়ার পথে বিধানসভায় ১২১টি আসনে এগিয়েছিল। বাম-কংগ্রেস এগিয়েছিল মাত্র ৯টি আসনে।

সি-ভোটার বনাম সিএনএক্সের সমীক্ষা
সি ভোটারের সমীক্ষা জানিয়েছিল তৃণমূল পেতে পারে ১৫৪ থেকে ১৬২টি আসন। সেখানে সিএনএক্স বলছে তৃণমূল পাবে ১৪৬ থেক ১৫৬টি। সি ভোটার অনুযায়ী বিজেপি পেতে পারে ৯৮ থেকে ১০৬টি আসন। সিএনএক্স বলছে ১১৩ থেকে ১২১টি। সি ভাটার বলছে বাম-কংগ্রেস পাবে ২৬ থেকে ৩৪টি, সিএনএক্স বলছে ২০ থেকে ২৮টি। আর সি ভোটার অনুযায়ী অন্যান্যরা পেতে পারে ২ থেকে ৬টি আসন। আর সিএনএক্স বলছে ১ থেকে ৩টি পাবে অন্যান্যরা।












Click it and Unblock the Notifications