ভিড়ে বাজার করতেই উৎসাহ জনগণের! করোনা থেকে বাঁচার উপায় বোঝাতে চক হাতে তুলে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী
দেশ জুড়ে ২১ দিনের জন্য লকডাউনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে মঙ্গলবার। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বাড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু বুধবার সকাল হতেই রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে পুরনো পরিস্থিতি।
দেশ জুড়ে ২১ দিনের জন্য লকডাউনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে মঙ্গলবার। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বাড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত। কিন্তু বুধবার সকাল হতেই রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে পুরনো পরিস্থিতি। একজনের ঘাড়ের ওপরে আরেক জন। যেখান থেকে সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যদিও কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে বাজার ও মলগুলিতে অভিযান চালিয়ে গণ্ডি কেটে দিয়ে মানুষকে সজাগ করার চেষ্টা করে। মুখ্যমন্ত্রীও বোর্ডে এঁকে বোঝানোর চেষ্টা করেন।

দোকান, বাজারে মানুষের ভিড়
মঙ্গলবার রাত ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন ২১ দিনের লকডাউনের কথা। আর পরের দিন সকাল হতেই বাজারে বাজারে মানুষের ভিড়। সে যেন আগেরই পরিস্থিতি। সেই ছবি দেখে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন চিকিৎসকরা। কি কে কার কথা শোনে! কোনও কোনও জায়গায় পুলিশকে লাঠি হাতে সামলাতে দেখা যায়।

চক হাতে পুলিশ
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা ছাড়াও এখনকার মতো সংকটজনক মুহুর্ত সামলানোর দায়িত্বও পুলিশেরই। এদিন লাঠি হাতে পরিস্থিতি সামলানোর পাশাপাশি বিভিন্ন দোকান, ওষুধের দোকান, মলগুলির সামনে পুলিশকে চক হাতে পরিস্থিতি সামলাতে দেখা যায়। লাইন থাকলেও যাতে তা দুজনের মধ্যে এক মিটারের বেশি দূরত্ব বজায় থাকে, তার চেষ্টা করা হয়।

চক হাতে বোঝানোর চেষ্টায় মুখ্যমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর মতো মুখ্যমন্ত্রীর মুখেও সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং-এর কথা। তবে এদিন তিনি আর মুখে নয়, নবান্নের সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বোর্ডের ওপর চক দিয়ে বোঝাতে শুরু করে দেন। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং বোঝাতে তিনি ছোটবেলায় এক্কা, দোক্কা খেলার ছবি তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মিলবে আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর
এদিনও মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেন বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান খোলা থাকবে। তা ছাড়াও সবজি বিক্রেতাদের যেন বাধা দেওয়া না হয়, তার জন্য পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
(ছবি সৌজন্য: কলকাতা পুলিশের টুইটার)












Click it and Unblock the Notifications