• search

'মদ কেন খেয়েছিস' মায়ের বকুনি খেয়ে ছেলের গুলি, তারপর যা হল

Subscribe to Oneindia News
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS
For Daily Alerts

    মত্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরায় ছেলেকে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। হুগলির চুঁচুড়ায় মাকে গুলি করে খুন করল ছেলে। পুলিশ অভিযুক্ত রাজু তিওয়ারিকে গ্রেফতার করেছে।

    হুগলির চুঁচুড়ায় এই কারণে ছেলের হাতে খুন মা

    আদতে বিহারের বাসিন্দা হলেও বছর পনেরো দরে হুগলির চুঁচুড়ার কানাগড়ে রয়েছেন জ্যোৎস্না তিওয়ারি এবং রাজু তিওয়ারি। জমি নিয়ে ছেলে বচর ২৫-এর রাজুর সঙ্গে বিবাদ চলছিল বছর ৫৫-র মা জ্যোৎস্না তিওয়ারির। এছাড়াও মদ খাওয়ার নেশাও ছিল রাজু তিওয়ারির। বারবার বারণও করেছেন মা। বৃহস্পতিবার রাতে রাজু মত্ত অবস্থায় বাড়ি ফিরে দরজা ধাক্কা দেন। মা দরজা খুলতেই অশ্রাব্য ভাষায় মাকে গালাগালি দেওয়া শুরু করে রাজু। শুরু হয়ে যায় বচসা। অভিযোগ সেই সময় বন্দুক বের করে মাকে গুলি করে রাজু। গলায় ও বুকে গুলি লাগে জ্যোৎস্না তিওয়ারির। সেই সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলেও, তাঁদেরও বন্দুক দেখিয়ে রাজু হুমকি দেয় বলে অভিযোগ।

    সেই কারণে জ্যোৎস্না তিওয়ারিকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে নিয়ে যেতে একটু দেরি হয়ে যায়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্যোৎস্না তিওয়ারিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

    সূত্রের খবর, মাকে গুলি করেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় রাজু। এরপর ফের শুক্রবার দুপুরে বাড়িতে আসে রাজু। সেই সংয় পুলিশে খবর দেন প্রতিবেশীরা। পুলিশ এসে রাজুকে গ্রেফতার করে।

    ঘটনায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারা। আতঙ্কিত স্থানীয় কোদালিয়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কৃষ্ণা দাসও। রাজুর কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন তিনি।

    English summary
    Chinsura Mother was shot dead by Son for protesting his alcoholism. Police arrested accused son.

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more