আম্ফানের মতো অন্ধকারে ডুববে না তো শহর-শহরতলি? বিস্তারিত তথ্য দিল CESC
আমফানের স্মৃতি এখনও ভোলেনি বাংলার মানুষ। গত বছর ঠিক এমন সময়ে বাংলায় আছড়ে আম্ফান। ঘন্টায় ১০০ কিমি বেগে আছড়ে পড়ে এই ঝড়। তছনছ হয়ে যায় গোটা বাংলা। ব্যাপক প্রভাব পড়ে কলকাতাতেও।
আমফানের স্মৃতি এখনও ভোলেনি বাংলার মানুষ। গত বছর ঠিক এমন সময়ে বাংলায় আছড়ে আম্ফান। ঘন্টায় ১০০ কিমি বেগে আছড়ে পড়ে এই ঝড়। তছনছ হয়ে যায় গোটা বাংলা। ব্যাপক প্রভাব পড়ে কলকাতাতেও।

কয়েক হাজার গাছ পড়ে যায় শুধু কলকাতা এবং শহরতলিতে। সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়ে শহরের বিদ্যুৎ পরিষেবাও। আর সেই আম্ফান থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার সতর্ক নবান্ন।
খোদ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে গত ১৫ দিন ধরে চলছে প্রস্তুতি। কলকাতা পুরসভা থেকে শুরু করে সর্বত্র চলছ এই প্রস্তুতি। দফায় দফায় বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। বিশেষ করে সিইএসএসি এবং রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে সাইক্লোন ইয়াসের মোকাবিলায় কী পদক্ষেপ করছে সিইএসসি?
তা নিয়ে সোমবার বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় সংস্থা। বিপর্যয় ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে তা জানালেন ডিস্ট্রিবিউশনের ভিপি অভিজিৎ ঘোষ। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে অভিজিৎ ঘোষ জানান, ঝড়ের সময় শহর ও শহরতলির বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হতে পারে।
স্ট্রমার ফিডার অর্থাৎ যে সমস্ত এলাকায় যে সময় ঝোড়ো হাওয়া বইবে সেখানে বন্ধ থাকতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ। বিশেষ করে শহর ও শহরতলির যাদবপুর, মানিকতলা, বেলেঘাটা-সহ যেসমস্ত এলাকায় ওভারহেড তার রয়েছে, সেথানে প্রয়োজনে বন্ধ রাখা হতে পারে বিদ্যুৎ পরিষেবা।
এছাড়া রাজ্য প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন কিংবা পুলিশের তরফে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ রাখার নির্দেশ এলে সেই অনুযায়ী কাজ করবে সিইএসসি। অন্যদিকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে সিইএসসির তরফে। অভিজিৎ ঘোষ নম্বরগুলি জানিয়েছেন।
নম্বরগুলি হল ৩৫০১১৯১২/১৮৬০৫০০১৯১২/১৯১২। একটি হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও চালু করা হয়েছে। যেখানে অভিযোগ জমা দিতে পারবেন গ্রাহকরা। নম্বরটি হল-৭৪৩৯০০১৯১২। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েছে সিইএসসি। তাই এবার পরিস্থিতি মোকাবিলায় অতিরিক্ত বাহিনী নামাচ্ছে সংস্থা।
সংস্থার পদস্থ অধিকর্তা জানিয়েছেন, প্রায় আড়াই হাজার কর্মী রাস্তায় নামবে। বিদ্যুৎ না থাকলে পরিস্থিতি সামাল দিতে দেড় হাজারেরও বেশি জেনারেটরও ভাড়া করেছে সিইএসসি। উল্লেখ্য আম্ফানের পরে অন্ধকারে ডুবে যায় কলকাতা। প্রায় চার পাঁচ দিন কেটে গেলেও বহু জায়গা অন্ধকার থাকে।
যা নিয়ে জনমানসের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। এমণকি একাধিক জায়গাতে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশও ঘটে। পরস্থিতি এমন জায়গাতে পৌঁছয় যায় যে বহু জায়গাতে ক্ষিভ রাস্তায় চলে আসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সিইএসসিকে। তাঁদের সাফাই ছিল, লোক না থাকার কারণেই নাকি কলকাতা এবং শহরতলিতে এই অবস্থা।












Click it and Unblock the Notifications