• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

নারদ মামলায় এখনও ক্লিনচিট নয় মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে! তদন্ত চলবে বলে চার্জশিটে জানিয়েছে সিবিআই

Google Oneindia Bengali News

তদন্তের জন্য রাজ্যপাল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া নেওয়া হয়েছিল। ৫৩ পাতার চার্জশিটে এমনটাই উল্লেখ করেছে সিবিআই। গত ৭ ও ৮ মে যথাক্রমে রাজ্যপাল ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছ থেকে সেই অনুমোদন নেওয়া হয়।

শুভেন্দু, সৌগত, কাকলির বিরুদ্ধে চার্জশিট চেয়ে লোকসভার অধ্যক্ষকে চিঠি সিবিআইয়ের

নারদ মামলায় এখনও ক্লিনচিট নয় মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে!

তবে এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ক্লিন চিট দেওয়া হয়নি মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীকে। তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলবে বলে জানিয়েছে সিবিআই।

চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে, গত জানুয়ারিতে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র, শোভন চট্টোপাধ্যায়য়ের বিরুদ্ধে তদন্তের অনুমোদন চেয়েছিল সিবিআই, মে মাসে তারই অনুমোদন মিলেছে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় এই অনুমোদন দেন।

আর এরপরেই মামলার গতিপ্রকৃতি এগোয় বলে সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে। মামলায় কোন কোন জিনিস মিসিং সেটাও উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। ইতিমধ্যে রাজ্যের দুই মন্ত্রী-সহ চার নেতার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআউ।

তবে গ্রেফতারির তালিকায় কেন মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীর নাম নেই, তা নিয়ে এদিন ফের প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। শাসকদলের অভিযোগ, হলফনামায় এই মামলার কথা উল্লেখই করেননি বিজেপি বিধায়ক মুকুল।

এই অভিযোগে বিধায়ক পদ খারিজ করার আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। বুধবার মুকুল রায়ের নির্বাচনী হলফনামা প্রকাশ্যে এনে এই দাবি করেছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, 'মুকুল রায় নারদ মামলা চেপে গেলেন কেন? যেখানে এফআইআরে তাঁর নাম আছে, সেখানে এই কাজ করলেন কীভাবে?'

কুণালের দাবি, এভাবে জনসমক্ষে মুকুল দেখিয়ে দিলেন মামলায় নাম থাকা সত্ত্বেও তা এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি।' তবে শুভেন্দু তথ্য গোপন করেছেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয় বলে জানান কুণাল ঘোষ।

তিনি আরও বলেন, 'এইভাবে হলফনামায় তথ্য গোপন করা দুর্নীতির মধ্যে পড়ে। মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ অবিলম্বে খারিজ হওয়া উচিত। উনি ইস্তফা দিন।'

অন্যদিকে ৫৩ পাতার চার্জশিটে স্পষ্ট ভাবে ব্য়াখ্যা করা হয়েছে, ২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে ম্যাথু স্যামুয়েলের স্টিং অপারেশের সেই ভিডিয়োর পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। একটি বহুজাতিক ব্যবসায়ীর সংস্থার আধিকারিক সেজে ম্যাথু স্যামুয়েল যে স্টিং অপারেশন করেছিলেন, তাতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের একাধিক নেতা মন্ত্রী বেআইনিভাবে টাকা নিয়েছেন।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, কোন পরিস্থিতিতে তাঁরা টাকা নিয়েছেন, সেই টাকা কোথায় জমা করেছেন, কাদের মাধ্যমে তা হয়েছে, সেই সংক্রান্ত পূর্ণ বিবরণ দিয়েছেন। চার্জশিটে যেমন ভিডিয়ো ফুটেজকে হাতিয়ার করেছে সিবিআই, তার পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক তথ্য প্রমাণকেও সঙ্গে নিয়ে গোটা মামলাটিকে সাজিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।

তবে সাংসদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নিতে ফের চিঠি পাঠাতে চলেছে সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, এর আগে অর্থাৎ ২০১৯ সালে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে তিন সাংসদ সৌগত রায়, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমোদন চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়।

স্পিকারের সবুজ সঙ্কেত পেলেই ওই তিন জনের নাম উল্লেখ করা হবে সাপ্লিমেন্টারী চার্জশিটে। যদিও বছরখানেক আগে এই আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত স্পিকারের তরফে কোনও অনুমতি পাওয়া যায়নি। তাই নতুন করে ফের স্পিকারের কাছে অনুমতি চেয়ে চিঠি দিতে চলেছে সিবিআই।

ফলে প্রশন উঠচতে শুরু করেছে যে তাহলে কি এবার বিধায়কদের পরে কি শাসকদলের সাংসদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে চলেছে সিবিআই? তবে তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে মুকুল রায় কিগবা অপরূপা পোদ্দারের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্যে অনুমোদন জানায়নি সিবিআই।

তবে কোনও শর্তে আগাম জামিনের আবেদন করবেন না বলে জানিয়েছেন প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ সৌগত। বাংলা এক সগবাদমাধ্যমকে পাল্টা তৃণমূল সাংসদের প্রশ্ন, ''এতে ভয় পাওয়ার কী আছে? ভয়ের কথাগুলো সংবাদমাধ্যম মনে করতেই পারে। আমরা রাজনীতি করি।

তাই দু'দিনের জন্য জেলে গেলেই বা কী হবে? আমি কোনও পদক্ষেপ করছি না।' অন্যদিকে অপরূপা পোদ্দার জাইয়েছেন, সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করে এসেছি। আগামীদিনেও করব।

English summary
CBI got Sanctions from Bengal Guv, Home Ministry in just 2 Days to Prosecute 5 Accused in Narada Case
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X