• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

    জনমোহিনী বাজেট, নাকি হতাশাজনক, কী বলছে বাংলার রাজনৈতিক মহল?

    কলকাতা, ১ ফেব্রুয়ারি : পাঁচ রাজ্য ভোটের দিকে চেয়ে জনমোহিনী বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি। আয়করে ছাড় থেকে শুরু করে দারিদ্র দূরকরণে জোর দেওয়া হল ঠিকই, কিন্তু বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বাজেট চূড়ান্ত হতাশজনক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এই বাজেটকে গ্রামমুখী বাজেট বলেও ব্যাখ্যা করেছেন অনেকে। এই বাজেটে যেমন গরিবকে রেহাই দেওয়া হয়েছে, ধনীদের দাওয়াই রয়েছে বাজেটে! শাসক বিজেপির পক্ষে এই বাজেটকে স্বপ্নপূরণের বাজেট বলে ব্যাখ্যা করলেও, বিরোধীরা বলছেন এই বাজেটে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো কিছু নেই।[জনমোহিনী বাজেট, নাকি হতাশাজনক, কী বলছে বাংলার রাজনৈতিক মহল?]

    বিরোধীদের ব্যাখ্যায়, গরিব, কৃষকদের উন্নতির কোনও দিশা নেই এই বাজেটে। ভাষণ ছাড়া এই বাজেটে আর্থিক উন্নয়নের কোনও লক্ষ্যমাত্রা রাখতে পরেননি অর্থমন্ত্রী। তরুণ প্রজন্মকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলা হলেও, কর্মসংস্থানের দিশা দেখানো নেই কেন্দ্রীয় বাজেটে। কৃষকদের ঋণের সুবিধা প্রদান থেকে শুরু করে ফসল বিমা যোজনায় বাড়িত সুবিধা দিয়ে কৃষকদের আয় বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোন পথে আয় বাড়বে তা বলা হয়নি। আগে আচ্ছেদিনের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এবার ২০১৯-এর মধ্যে দরিদ্র দূরীকরণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।[রাজ্যে এবার রেল বরাদ্দ বাড়ল আড়াই হাজার কোটি!]

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল

    দিশাহীন, অর্থহীন, ভিত্তিহীন বাজেট। মোদী সরকারের বাজেটের সমালোচনা করে বললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে তিনি টুইট করেছিলেন, ‘বিতর্কিত বাজেট আরও বিতর্কিত।' বাজেট পেশের পর তাঁর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এই বাজেট দিশাহীন, অর্থহীন, ভিত্তিহীন। ফের টুইট করে তিনি জানান, শুধুমাত্র সংখ্যা ও শব্দের খেলা। নোটকাণ্ড সমাধানের কোনও উল্লেখ নেই বাজেটে। অবিলম্বে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হোক। এই বাজেটের মাধ্যমে দেশবাসীকে বিপথে পরিচালনা করছে কেন্দ্র। ভবিষ্যতের কোনও দিক নির্দেশ নেই।

    আবদুল মান্নান, কংগ্রেস :

    আবদুল মান্নান, কংগ্রেস :

    ধোঁয়াশা ভরা দিশাহীন বাজেট। মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হল। সাধারণ বাজেটের সঙ্গে রেল বাজেট মিশিয়ে দিয়ে জগাখিচুড়ি করা হয়েছে। কোনও পরিকল্পনার ছাপ নেই। আগামী আর্থিক বর্ষে এই সরকার কী উন্নয়নমূলক কাজ করতে চায়, তা এই বাজেট থেকে বোঝার উপায় নেই। শুধু গিমিক দেওয়া হয়েছে। মানুষের প্রত্যাশা পূরণের কোনও দিক তুলে ধরা হয়নি এই বাজেটে।

    শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপি

    শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপি

    এই বাজেট মা-মাটি-মানুষের বাজেট। এবারের বাজেট সর্বস্তরের মানুষকে ছুঁয়ে গিয়েছে। এই বাজেটে সমস্ত অর্থনৈতিক উন্নয়নের রূপরেখা রয়েছে। এককথায় স্বপ্নের বাজেট পেশ করেছেন আমাদের অর্থমন্ত্রী।

    মহম্মদ সেলিম, সিপিএম

    মহম্মদ সেলিম, সিপিএম

    এই বাজেটে অনেক জুমলা। একেবারে প্রধানমন্ত্রীর মতো কথা। সমস্যাগুলো নিরসনের কোনও দিশা নেই বাজেটে। দু'কোটি বেকারকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল আগে। তার কী হল, এই বাজেটে তা উল্লেখ নেই। এটা কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের তৃতীয় বাজেট। কোনও চাকরির দিশা দেখাতে পারেননি অর্থমন্ত্রী। সরকারি চাকরির কোনও প্রতিশ্রুতি নেই। কৃষি সংকট নিয়ে সমাধানের কোনও পথা দেখা হয়নি। অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় স্বীকার করেছেন বড় কোম্পানিগুলি কোনও ট্যাক্স দেয় না। কিন্তু ট্যাক্স আদায়ের বা ধণ খেলাপিদের কাছ থেকে দণ আদায়ের কোনও পন্থা বলা নেই বাজেটে। চিটফান্ড নিয়ে নতুন আইন করা হবে বলা হয়েছে। বাজপেয়ির আমলেও বলা হয়েছিল। কিন্তু চিটফান্ডে গরিব মানুষের টাকা কী করা আদায় করা সম্ভব সেই দিশা দেখাতে পারেননি অর্থমন্ত্রী।

    হাফিজ আলম সাইরানি, ফরওয়ার্ড ব্লক

    হাফিজ আলম সাইরানি, ফরওয়ার্ড ব্লক

    রাজনৈতিক দলগুলির চাঁদার ব্যাপারে প্রস্তাব ওয়ালকাম। কিন্তু বাস্তবের সঙ্গে এই বাজেটের কোনও মিল নেই। সবটাই রঙিন ছবি দেখানো হয়েছে। আদৌ বাস্তবোচিত নয় বাজেট। এই বাজেট দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না। কল্পনআর বাজেট বললেও অত্যুক্তি হয় না, কারণ বাস্তবে এই বাজেটের রূপায়ণ অসম্ভব।

    মনোজ ভট্টাচার্য, আরএসপি

    মনোজ ভট্টাচার্য, আরএসপি

    বাজেটে নতুনত্ব কিছু নেই। দেশেবর অর্থনীতি যে বিপজ্জনক অবস্থায় মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা থেকে উদ্ধারের পথ দেখাতে পারেনি এই বাজেট। বিদেশি বিনিয়োগে বাজার উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। কোনও নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব সম্পূর্ণ ভূলুণ্ঠিত হয়ে যাবে। যে কারণে স্বাধীনতা সংগ্রাম, বিদেশি বিনিয়োগের বিরুদ্ধে লড়াই, সবই শেষ হয়ে যাবে এই বাজেট বাস্তাবায়িকত হলে। দেশের শিল্প নিয়ে কোনও দিশা নেই, কর্মসংস্থানেরও কোনও দিশা দেখাতে পারেনি বাজেট। এককথায় হতাশার বাজেট এটা।

    প্রবোধ পাণ্ডা, সিপিআই

    প্রবোধ পাণ্ডা, সিপিআই

    চমক আর নাটাকীয়তার ভরা বাজেট। নোটবন্দির ফলে সারা দেশেজুড়ে যে অর্থনৈতিক সঙ্কট তৈরি হয়েছে, তা থেকে উদ্ধারের কোনও দিশা নেই এই বাজেটে। শুধু কথার ফুলঝুরি ফোটানো হয়েছে। মধ্যবিত্তদের জনজীবনে যে সমস্যা, তা নিয়ে কেনও আলোচনাই নেই। কর্পোরেট সেক্টরের দিকে চেয়েই বাজেট হয়েছে, সাধারণ মানুষের কথা ভাবেনি সরকার। কৃষক, শ্রমিকশ্রেণির জন্য কিছুই নেই। বেকারদের কথাও ভাবা হয়নি।

    English summary
    Budget 2010 : Bengal Leaders Who said What
    For Daily Alerts

    Oneindia - এর ব্রেকিং নিউজের জন্য
    সারাদিন ব্যাপী চটজলদি নিউজ আপডেট পান.

    Notification Settings X
    Time Settings
    Done
    Clear Notification X
    Do you want to clear all the notifications from your inbox?
    Settings X
    We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more