• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

চেকপোষ্টে মহিলা বিএসএফ জ‌ওয়ানের অভব্য আচরণ, মারধর করে ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ যুবতীর

  • |

বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের হাকিমপুর চেকপোস্টের ঘটনা। বছর চব্বিশের যুবতী মিনা খাতুন বলেন হাসপাতালে তার মাসি চিকিৎসাধীন। তাকে দেখে আমি ফিরছিলাম যখন আমি হাকিমপুর চেকপোস্ট আসি। আমাকে চেকিং এর নামে প্রকাশ্য দিবালোকে গায়ে হাত দেয় ১১২ নম্বর ব্যাটেলিয়ান সি কোম্পানির মহিলা বিএসএফ জ‌ওয়ান। রাস্তায় চেকিং এর নামে অভব্য আচরণ করে মারধর করে। ওই বিএসএফ কর্মী ওই যুবতীর মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। মহিলা বিএসএফ জওয়ান যুবতীকে মারধর করে বলে অভিযোগ।

চেকপোষ্টে মহিলা বিএসএফ জ‌ওয়ানের অভব্য আচরণ

এই ঘটনার জেরে হাকিমপুর চেকপোস্টে উত্তেজনা তৈরি হয়। মিনা খাতুনের বাড়ি স্বরূপনগর থানার তারালী সীমান্তে। যুবতীর দাবি তাকে পরিকল্পনা করে ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে। এর আগেও কয়েকবার ফাঁসানো হয়েছে। গত তিন মাস আগে আমাকে সোনা পাচারের অভিযোগ করে ১১২ ব্যাটেলিয়ানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। কিন্তু কোনো প্রমাণ হয়নি। ওই যুবতী মানব অধিকার কমিশনে পাল্টা অভিযোগ করেন। এখনো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সেই পূর্ব পরিকল্পিত ঘটনার চক্রান্ত করে আবার নতুন করে আমাকে ফাসানোর চেষ্টা হচ্ছে। এই ঘটনার জেরে এলাকায় যথেষ্ট উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কেন হঠাৎ এদিন চেকিং এর নামে তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ। আবার পাল্টা সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তরফ থেকে বলা হচ্ছে ওই মহিলা বিএসএফ মহিলা কর্মীর ইউনিফর্ম ছিড়ে দিয়েছে। এই ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয়েছে স্বরূপনগর হাকিমপুর চেকপোষ্টে।

যুবতী স্বরূপনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এর আগে ওই যুবতীর নামে ১১২ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের সীমান্তরক্ষী বাহিনী আদালতে কেস করেছে। পাল্টা ওই যুবতী মানবাধিকার কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেছে। সব মিলিয়ে এই ঘটনার পিছনে কোন পূর্বপরিকল্পিত চক্রান্ত আছে বলে অভিযোগ যুবতী মিনা খাতুনের। পাশাপাশি ওই মহিলা বিএসএফ জওয়ানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয় কিনা সীমান্তরক্ষী বাহিনী সেটা সময় বলবে।

English summary
BSF lady jawan accused for beating woman in Basirhat
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more