• search
For Quick Alerts
ALLOW NOTIFICATIONS  
For Daily Alerts

রক্ত দানের উদাসীনতায় ক্রমেই রক্তশূন্য হয়ে পড়ছে ব্লাড ব্যাঙ্ক গুলি

  • |

সাম্প্রতিক কালে রক্তদান শিবিরগুলিতে রক্তদান সম্পর্কে জনগণের মধ্যে স্পষ্ট উদাসীনতা বেশ কিছু বছর ধরেই চোখে পড়ছে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা যদি এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত থাকে, তবে এটি বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কের রক্ত সরবরাহের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

রক্ত দানের উদাসীনতায় ক্রমেই রক্তশূন্য হয়ে পড়ছে ব্লাড ব্যাঙ্ক গুলি

রাজ্য স্বাস্থ্য বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের মতে, পর্যাপ্ত রক্তদাতা না থাকায় সম্প্রতি রাজ্যে রক্তদান শিবিরের সংখ্যাও যথেষ্ট হ্রাস পেয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা এবং ক্লাবগুলি মূলত শহরের পাশাপাশি বিভিন্ন জেলাতে রক্তদান শিবির পরিচালনা করে। শহর ও শহরতলি গুলিতে রক্তদান শিবিরগুলির সঠিকভাবে পরিচালনা না করা হলে সরকার পরিচালিত বিভিন্ন ব্লাড ব্যাঙ্কেও রক্তের ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলেও মনে করেন স্বাস্থ্য বিভাগের ওই কর্মকর্তা।

উৎসবের মরসুম বা কোনও নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দীর্ঘদিন কোনও রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত না হলে সাধারণত রাজ্যে রক্তের ঘাটতি দেখা দেয়। তবে শীতের মৌসুমে রক্ত খুব কমই সংকট দেখা দেয় বলে মত বিশেষজ্ঞ মহলের। রাজ্যের অনেক বড় ক্লাবই সম্প্রতি রক্তদান শিবির আয়োজনে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলস্বরূপ ইতিমধ্যে নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ গুলির ক্ষেত্রে বিশেষ সংকট দেখা দিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শহরের একটি সরকার পরিচালিত ব্লাড ব্যাঙ্কের কর্মকর্তা বলেন, "কোনও রোগীর জরুরী ভিত্তিতে রক্তের প্রয়োজন হলে আমরা তার আত্মীয়দের কাছ থেকে সাহায্য পাচ্ছি। অনেক সময়ই তারা আমাদের ফোন করছেন।আবার অনেকেই ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্ত না পেয়ে ব্লাড ডোনার খুঁজে হয়রান হচ্ছেন। আমরা আশা করেছিলাম যে শহরের ক্লাবগুলি বড়দিনে বেশ কিছু জায়গায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করবে। কিন্তু তা খুব একটা চোখে পড়ল না।"

রাজ্যপালের অনুষ্ঠান বাতিল নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা জুড়ে

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিভাজন মমতারই! একের পর এক প্রশ্ন বাণ দিলীপের

English summary
Blood banks are suffering from lack of blood due to blood donation is reducing
চটজলদি খবরের আপডেট পান
Enable
x
Notification Settings X
Time Settings
Done
Clear Notification X
Do you want to clear all the notifications from your inbox?
Settings X
We use cookies to ensure that we give you the best experience on our website. This includes cookies from third party social media websites and ad networks. Such third party cookies may track your use on Oneindia sites for better rendering. Our partners use cookies to ensure we show you advertising that is relevant to you. If you continue without changing your settings, we'll assume that you are happy to receive all cookies on Oneindia website. However, you can change your cookie settings at any time. Learn more