বিজেপি বাংলার ক্ষমতায় এলে 'দু'একটা কঠিন সিদ্ধান্ত' আসন্ন! মুখ খুলে স্বপন জানালেন কোন রূপরেখার কথা
শুধু বাংলায় ভোট যুদ্ধ জয়ই নয়, তারসঙ্গে বাংলার বুকে বিজেপি সরকার গড়লে কী কী রূপরেখা ধরে এগোনো হবে, তা নিয়েও ধীরে ধীরে গেমপ্ল্যানে রয়েছে গেরুয়া শিবির। আর কয়েক মাসের পরই ২০২১ এর বিধানসভার 'কুরুক্ষেত্র ' শুরু হতে চলেছে। তার আগে, বাংলায় বিজেপি এলে কী কী হতে পারে, তার আভাস দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। মুখ খুলেলন বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত।

'সোনার বাংলা' র রূপরেখা
'পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক পুর্নজাগরণ' নামাঙ্কিত, এক সভায় স্বপন দাশগুপ্ত বলেন, বাংলার বুকে শিল্পায়নের জন্য চাই সুস্থ পরিবেশ। আইন শৃঙ্খলার বিষয়ে আপোস যাতে না করা হয়, সেরকম এক পোক্ত সরকার এখানে দরকার। তাঁর ইঙ্গিত, বিজেপি এলে এমনই এক বাংলা উপহার দেবে গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত বিজেপি আগেই জানিয়েছে, 'সোনার বাংলা' তাঁদের লক্ষ্য। আর সেই মর্মে রূপরেখা তৈরি করতে শুরু করেছে দল।

কোন 'কঠিন সিদ্ধান্ত' আসন্ন!
নিজের বক্তব্যের বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বলেন,'আমরা রাজ্যে এলে দু'একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যেমন আইন শৃঙ্খলার অবনতি কোনওভাবেই হতে দেওয়া চলবে না। ' আর এই মর্মে অনুরাগ ঠাকুরের দাবি, কেন্দ্রের মতোই পশ্চিমবঙ্গে যদি নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধী সরকার গড়া হয়,তাহলে সমস্যা থাকবে না।

বিজেপিতে যোগ দিলেও কেউও ছাড় পাবেন না!
স্বপন দাশগুপ্ত নিজের বক্তব্যের সাপেক্ষে বলেন, 'কোনও গরু পাচারকারী যদি বলে, আমি তো গত মাসে বিজেপিতে এসেছি .... তখন কিন্তু তা মানলে চলবে না ।' ফলে কোনও মতেই বিজেপিতে যুক্ত হয়ে 'পাপ' ধুয়ে ফেলা যাবে না!আর সেবিষয়ে সরকার গড়ার পরও দল সতর্ক থাকবে বলে বিজেপির ইঙ্গিত।

'সুযোগ থেকে সরিয়ে নিতে হবে'
স্বপন দাশগুপ্ত বলেন,'যাঁরা একটু বেশি রাজনীতি করেন, তাঁরা বলবেন, বাম ও তৃণমূল জমানার পর তাঁদরে একটু বেশি সুযোদ পাওয়া উচিত। তবে সেই সুযোগ থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে হবে।' আর এমন বক্তব্য রেখেই দলের আদি ও নব্য সংঘাতের বাতাবরণে বিজেপির অবস্থান কার্যত স্পষ্ট করে দেন স্বপন দাশগুপ্ত।












Click it and Unblock the Notifications