শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে অশান্ত বিধানসভা, 'বাধা'র জেরে বিধানসভা থেকে ওয়াকআউট বিজেপির
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (suvendu adhikari) বক্তব্য ঘিরে অশান্ত বিধানসভা। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলতে উঠেই ভোট পরবর্তী হিংসা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন। সেই সম তৃণমূলের সদস্যরা তুমুল হট্টগে
বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (suvendu adhikari) বক্তব্য ঘিরে অশান্ত বিধানসভা। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলতে উঠেই ভোট পরবর্তী হিংসা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন। সেই সম তৃণমূলের সদস্যরা তুমুল হট্টগোল শুরু করে দেন। অন্যদিকে স্পিকার বলেন বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। এরপরেই শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সদস্যরা স্লোগান দিতে দিতে বিধানসভা থেকে বেরিয়ে যান।

শাসক বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ
এদিন বিধানসভার বাইরে বেরিয়ে শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেন, শাসকদলের নৈহাটির বিধায়ক তাঁর বাবা তুলে অপমান করেছেন। তিনি অধ্যক্ষকে সঙ্গে সঙ্গে বলেন অসংসদীয়ট শব্দ বাদ দিতে। কিন্তু তিনি তা করেননি। এরপর বিজেপি বিধায়করা একযোগে প্রতিবাদ করতেই বলেন, তিনি বিষয়টি দেখছেন।

বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য
এদিন বিরোধী দলনেতা জানিয়েছেন, তিনি বাধা সত্ত্বেও উল্লেখ করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জনসংঘ যারা আজ বিজেপি, তাদের আসন সংখ্যা ৩ থেকে বেড়ে ৭৭ হয়েছে। তারাই রাজ্যে প্রধান বিরোধী শক্তি। এছাড়াও এবারের নির্বাচনের কমিউনিস্ট কিংবা কংগ্রেস কারও প্রতিনিধি এবার জয়ী হতে পারেনি। পাশাপাশি এরপরেই তিনি উল্লেখ করেন, প্রথম একজন মুখ্যমন্ত্রী যিনি বিধানসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরে গিয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন। যিনি তাঁকে হারিয়েছেন, তিনি বিরোধী দলনেতা হয়েছেন।

শাসক বিধায়কদের বাধা
এই সময় শাসকদলের বিধায়করা শুভেন্দু অধিকারীকে প্রবলভাবে বাধা দেন। তারাও পাল্টা চিৎকার শুরু করে দেন। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইশারায় রেরে করে ওঠেন ওই কোম্পানির কর্মচারী এবং ল্যাম্পপোস্টরা। সেই সময় আইনমন্ত্রীকে স্পিকারের কানে কিছু বলতে শোনা যায়। এরপরেই স্পিকার কবেন বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। তিনি বলেন, আদালত এখনও অন্তর্বর্তী কোনও আদেশও দেননি। নন্দীগ্রামের মামলা প্রসঙ্গে তিনি লোকসভায় আরামবাগের ফলাফল নিয়ে মামলার কথা উল্লেখ করেন, দুবছর পরেই মামলা চলছে। প্রসঙ্গত আরামবাগে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের অপরূপা পোদ্দার। বিজেপি ফলাফলে কারচুপির অভিযোগে মামলা করেছিল।

অধ্যক্ষের ভূমিকার প্রতিবাদেই ওয়াক আউট
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বিজেপি তৃণমূলের টিকা-টিপ্পনি প্রতিহত করার ক্ষমতা রাখে। তিনি প্রশ্ন করেন, রাজ্যে ভোট পরবর্তী সময়ে বিজেপির ৪৫ জনকে খুন করা হয়েছে, অসংখ্য ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে, ঘরছাড়া বহু, সেই প্রসঙ্গও কি বিধানসভায় তোলা যাবে না? যে অধ্যক্ষর বিধানসভায় বিরোধীদের সংরক্ষণ দেওয়ার কথা, তা না করে তিনি অন্য ভূমিকা নিয়েছেন। তারই প্রতিবাদে এদিন প্রথমার্ধে বিধানসভা বয়কট বলে জানান তিনি।
শুভেন্দু অধিকারী এদিন বিধানসভার বাইরে ১৯৯৬ সালে কেরল বিধানসভা নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রীর হেরে যাওয়া আর হিমাচল প্রদেশে প্রেমকুমার ধুমলের হেরে যাওয়া প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। বলেন, হেরে যাওয়ার পরে এঁদের কেউই আর মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসেননি।












Click it and Unblock the Notifications