বিজেপির স্বপন ফের স্ব-‘পদে’ বহাল! তাহলে দিলীপের স্থলাভিষিক্ত হবেন কে, রয়েই গেল প্রশ্ন
বিজেপি অনেক আশা নিয়ে এবার বাংলার নির্বাচনী ময়দানে নেমেছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত তারা সফল হয়নি বাংলায় পরিবর্তন আনতে। মমতা-ক্যারিশ্মায় শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়তে হয় তাদের।
বিজেপি অনেক আশা নিয়ে এবার বাংলার নির্বাচনী ময়দানে নেমেছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত তারা সফল হয়নি বাংলায় পরিবর্তন আনতে। মমতা-ক্যারিশ্মায় শোচনীয় পরাজয়ের মুখে পড়তে হয় তাদের। রাজ্যসভার রাষ্ট্রপতি মনোনীত সদস্য স্বপন দাশগুপ্তকে পদত্যাগ করে টিকিট দেওয়া হয়ছিল বাংলার নির্বাচনে। তিনিও হার মেনে ফিরে গেলেন রাজ্যসভায়।

সব জল্পনায় আপাতত জল ঢেলে দিয়েছে বিজেপি
বাংলায় বিজেপির শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই দিলীপ ঘোষের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তাঁকে বঙ্গ বিজেপির সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে মোদী-ঘনিষ্ঠ স্বপন দাশগুপ্তকে বসানো হতে পারে, এমনটাও শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু তাঁকে ফের রাজ্যসভায় পাঠিয়ে সেই জল্পনায় আপাতত জল ঢেলে দিয়েছে বিজেপি।

বাংলায় বিজেপির ব্যাটন দিলীপের শক্ত হাতেই!
অর্থাৎ বাংলায় বিজেপির ব্যাটন দিলীপের শক্ত হাতেই থাকছে। মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিলীপ ঘোষই থাকছেন রাজ্য সভাপতি। এমনই আভাস দিয়ে গেল স্বপন দাশগুপ্তকে নিয়ে কেন্রীন য় বিজেপির এহেন সিদ্ধান্ত। বিজেপি নেতা স্বপন দাশগুপ্তকে ফের রাজ্যসভার সদস্য মনোনীত করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

বিজেপির রাজ্য সভাপতি হতে পারেন স্বপন, জল্পনা ছিল
সেইমতো ২০২২ সালের ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত রাজ্যসভার সদস্য থাকবেন। বাংলার বিজেপি ক্ষমতায় এলে তাঁকেই মুখ্যমন্ত্রী করা হত বলে গুঞ্জন উঠেছিল নির্বাচনের সময়। তারপর শোনা যায় তিনি হতে পারেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। কিন্তু সেই জল্পনা আপাতত স্থগিত। উল্লেখ্য, এবার স্বপন দাশগুপ্তকে তারকেশ্বর থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল। তিনি ওই কেন্দ্রে হেরে যান।

রাষ্ট্রপতির মনোনয়নে ফিরলেন পুরনো আসনে
২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে প্রথম রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে যোগ দেন তিনি। কিন্তু ২০২১-এর নির্বাচনে দাঁড়ানোর পর তিনি সাংবিধানিক বিধিভঙ্গ করে প্রার্থী হয়েছেন বলে অভিযোগ সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। ফের রাষ্ট্রপতির মনোনয়নে তিনি পুরনো আসনে ফিরলেন। সেইসঙ্গে বিজেপিও একপ্রকার স্পষ্ট করে দিল আপাতত তাঁরা বদলের রাস্তায় যাচ্ছেন না।

দ্বিতীয়বার সভাপতি হিসেবে পূর্ণ মেয়াদ শেষ করবেন দিলীপ
বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসেবে দিলীপ ঘোষের মেয়াদ রয়েছে ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। এর মাঝে নেতৃত্ব বদল করতে চাইছে না বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের গরিষ্ঠ অংশ। একেবারে তাঁর দ্বিতীয়বার সভাপতি হিসেবে পূর্ণ মেয়াদ শেষ হলেই নতুন কাউকে বেছে নেওয়া হবে।












Click it and Unblock the Notifications