পুরভোটের আগেই রাজ্য বিজেপিতে অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এল, রাজ্য কমিটির তালিকা বাতিল
পুরভোটের আগেই রাজ্য বিজেপিতে অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে, রাজ্য কমিটির তালিকা বাতিল
পুরভোট পিছলেও প্রস্তুতি চলছেই। এরই মধ্যে আবার বঙ্গ বিজেপির অন্দরে দেখা গিয়েছে দ্বন্দ্ব। রাজ্য বিজেপির পাঠানো রাজ্য কমিটির তালিকা খারিজ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। নতুন করে তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে পুরভোটের আগে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

রাজ্য কমিটির তালিকা খারিজ
জেপি নাড্ডা, অমিত শাহদের পছন্দ হয়নি রাজ্য বিজেপির পাঠানো রাজ্য কমিটির তালিকা। সেটা খারিজ করে দিয়েছেন তাঁরা। নতুন করে তালিকা তৈরি করে পাঠাতে বলা হয়েছে রাজ্য বিজেপিকে। দিলীপ ঘোষ দ্বিতীয়বার সভাপতি নির্বাচিত হলেও রাজ্য কমিটি বদল করা হয়নি। নিয়ম মত নতুন রাজ্য সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে রাজ্য কমিটিও গঠন করা হয়। কিন্তু এবার রাজ্য কমিটির তালিকা খারিজ করে কী বার্তা দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় নেতত্ব। এই নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দিলীপ ঘনিষ্ঠদের কি তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের কারণ? এই নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।

প্রকাশ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব
দিলীপ ঘোষ দ্বিতীয়বার সভাপতি নির্বাচিত হলেও রাজ্য বিজেপির একাংশ কিন্তু এই সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট। সেকারণেই পুরভোটের কমিটেতে ফিরিয়ে আনা হয়েছে রাহুল সিনহাদের। দিলীপের উত্থানে যাঁরা এক প্রকার কোনঠাসা হয়ে পড়েছিলেন। দিলীপকে চাপে রাখতে অমিত শাহরা কৌশলে কোনঠাসা নেতােদর পুরভোটের কমিটিতে জায়গা দিয়েছেন। এমনকী দলবদলি নেতাদের দিলীপ ঘোষ যে তির্যক দৃষ্টিতে দেখছিলেন সেটা বন্ধ করতে মুকুল রায়কে পুরভোটের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। আবার শোভন চট্টোপাধ্যায়কে পুরভোটের মুখ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

পুরভোটের তরজা
পুরভোট পিছিয়ে যাওয়ার সুযোগে দলের উদ্ধত নেতাদের ডানা ছাঁটার জন্যই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর দিলীপ ঘনিষ্ঠ একািধক নেতা রাজ্য কমিটিতে থাকলেও মাঠে ময়দানে নেমে কাজ করছিলেন না। তাঁদের ছেঁটে ফেলতেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এই পদক্ষেপ করেছে। কারণ ২০২১-র বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোচ্ছে বিজেপি। কাজেই এক্ষেত্রে দলের কেজো নেতাদেরই এগিয়ে আনতে চাইছেন অমিত শাহরা।












Click it and Unblock the Notifications