দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের প্রতিবাদে দিকে দিকে প্রতিবাদ বিজেপির
দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের প্রতিবাদে দিকে দিকে প্রতিবাদ বিজেপির
উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম, জেলায় জেলায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর আক্রমণের প্রতিবাদে থানায় থানায় ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালো জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ি, রায়গঞ্জ, কোচবিহার, হেমতাবাদ সহ একাধিক জায়গার থানায় ঘেরাও করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন বিল বিজেপি জেলা নেতৃত্ব। ওদিকে উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর, বারাসাত, বসিরহাট, বনগাঁ মহকুমার একাধিক থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি দেখায় জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। পাশাপাশি, দিলীপ ঘোষকে আক্রমণে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে একটি দাবিপত্র তুলে দেওয়া হয়।
এদিনের কর্মসূচি শেষে বিজেপির উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী বলেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতির উপরে বারবার যে আক্রমণের ঘটনা ঘটছে তার বিরুদ্ধে আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। রাজ্যজুড়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি নেতৃত্বদের হেনস্তা ও আক্রমণ করছে তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তৃণমূল যদি হিংসার রাজনীতি বন্ধ না করে তবে বিজেপিও ছেড়ে কথা বলবে না। তৃণমূল বিজেপি নেতা কর্মীদের মারধর করলে মারের বদলে পালটা মার দিতে বিজেপি প্রস্তুত আছে।
অন্যদিকে, দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপর আক্রমণের ঘটনার নিন্দা করে উত্তরবঙ্গেও জেলায় জেরায় প্রতিবাদ জানালেন বিজেপির নেতাকর্মীরা গ্রেফতার হন পুলিশের হাতে। মহকুমা শাসকের দফতরে, খানার সামনে, রাস্তা থেকে তাদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার নিউটাউনে নিজের বাড়ির সামনে একটি দোকানে চা খেতে গিয়ে একদল দুষ্কৃতীদের হাতে আক্রান্ত হন দিলীপবাবু। তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছেন বিজেপি-র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক রথীন্দ্র বসু। শিলিগুড়িতে তিনি বলেন, 'একজন সাংসদ এবং বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির উপর এই আক্রমণ রাজ্যের পুলিশের ব্যর্থতা প্রমাণ করে। দিলীপ ঘোষের উপর আক্রমণের ঘটনা গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত লজ্জ্বার। পুলিশ, আইন শৃঙ্খলার দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতেই রয়েছে। তাই আর এক মুহুর্ত তার এই চেয়ারে বসে থাকার যোগ্যতা নেই। অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ করা উচিৎ।'












Click it and Unblock the Notifications