বঙ্গ বিজেপিতে ‘কেন্দ্রীয় শাসন’! নাড্ডার সামনেই কি বিরোধিতায় সরব হবে রাজ্য নেতৃত্ব
বাংলার ভোটে ভরাডুবির জন্য বিজেপি যেমন তৃণমূল থেকে ঢোকা বেনোজলদের দিকে আঙুল তুলেছে, তেমনই বঙ্গ বিজেপিতে চলা কেন্দ্রীয় শাসন নিয়েও অনেকে সরব হয়েছেন।
বাংলার ভোটে ভরাডুবির জন্য বিজেপি যেমন তৃণমূল থেকে ঢোকা বেনোজলদের দিকে আঙুল তুলেছে, তেমনই বঙ্গ বিজেপিতে চলা কেন্দ্রীয় শাসন নিয়েও অনেকে সরব হয়েছেন। মঙ্গলবার বিজেপির কার্যকারিণী বৈঠকে এই প্রসঙ্গটি বিশেষ করে উত্থাপন করতে চান দিলীপ ঘোষরা। বঙ্গ বিজেপি এবার স্বাবলম্বী হতে চায় ভোটের হার থেকে শিক্ষা নিয়ে।

রাজ্যের কোনও নেতাকে দায়িত্ব দেয়নি বিজেপি
২০১৯-এর ভোটে সাফল্যের পর ২০২১-কে পাখির চোখ করে তুলছিল বিজেপি। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়েই বিজেপি এবার বিধানসভার ভোটযুদ্ধ শুরু করেছিল। ভোটের আগে প্রবল হাওয়াও তুলেছিল বিজেপি। কিন্তু বিজেপি এই ভোটে আক্ষরিক অর্থেই রাজ্যের কোনও নেতাকে দায়িত্ব দেয়নি।

২০২১-এর নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপিকে ঠুঁটো জগন্নাথ
২০২১-এর নির্বাচনে বঙ্গ বিজেপিকে ঠুঁটো জগন্নাথ করে রেখে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই ছড়ি ঘুরিয়েছিল। অমিত শাহ-জেপি নাড্ডারা নিজের হাতে রেখেছিলেন নির্বাচনী দায়িত্ব। নিয়োগ করেছিলেন কেন্দ্রীয় নেতাদের। কৈলাশ বিজয়বর্গীয় তো পর্যবেক্ষক হিসেবে ছিলেনই। তার সহযোগী হিসেবে নিয়ে আসা হয়েছিল অরবিন্দ মেনন, অমিত মালব্যদের। আবার শিব প্রকাশ, বি এল সন্তোষের মতো নেতারা তো ছিলেনই।

বঙ্গ নেতৃত্বের উপর একপ্রকার কেন্দ্রীয় শাসন চলেছে
রাজ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সংখ্যাধিক্যে চাপা পড়ে গিয়েছিলেন রাজ্য নেতারা। নির্দেশ পালন ছাড়া সে অর্থে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা ছিল না। একপ্রকার দিল্লি থেকে পরিচালিত হয়েছে বাংলার নির্বাচন। আর বঙ্গ নেতৃত্বের উপর একপ্রকার কেন্দ্রীয় শাসন চলেছে। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ পালন করাই নির্বাচনী কালে দস্তুর হয়ে গিয়েছিল বঙ্গ বিজেপির।

বঙ্গ বিজেপি আবেদন রাখতে পারে স্বাবলম্বী হওয়ার
বিজেপি কোনও বঙ্গ নেতাকে সামনে আনতে পারেনি বিধানসভা নির্বাচনে। এই পরিস্থিতিতে বঙ্গ নেতৃত্ব বিজেপির কার্যকারিণী বৈঠকে উত্থাপন করতে চায় প্রসঙ্গটি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও বঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত থাকবেন, তাঁদের সামনেই তোলা হতে পারে প্রসঙ্গটি। বঙ্গ বিজেপি আবেদন রাখতে পারে স্বাবলম্বী হওয়ার। তা না হলে বাংলার মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে বলেই মত বাংলার গেরুয়া নেতাদের।












Click it and Unblock the Notifications