বিজেপি বিধায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পিছনে আর্থিক লেনদেন! চিরকুটে নাম থাকাদের নিয়ে তদন্ত শুরু পুলিশের
বিজেপি বিধায়কের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পিছনে আর্থিক লেনদেন! চিরকুটে নাম থাকাদের নিয়ে তদন্ত শুরু পুলিশের
হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে বড় আর্থিক লেনদেনের ঘটনা সামনে এসেছে। এই ঘটনা ইংরেজবাজার থানা এলাকায় সমবায় ব্যাঙ্কের এক কর্মী নিলয় সিনহাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। বড় আর্থিক লোকসান হওয়ার হতাশা থেকে ওই বিধায়ক আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলেও অনুমান পুলিশের।

স্বরাষ্ট্র সচিবের দাবি
এদিন নবান্নে স্বরাষ্ট্রসচিব বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট উল্লেখ করে বলেন, ঘটনাটি আত্মহত্যা। প্রয়াত বিধায়কের পকেটে একটি কাগজের টুকরো পাওয়া গিয়েছে। সেখানে নিজের হাতে লেখা কিছু তথ্য, দুটি ছবি, দুটি ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে। ওই দুই ব্যক্তির সম্পর্কে কিছু মন্তব্যও করা হয়েছে।

বাজারে বড় টাকার দেনা
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দেবেন্দ্রনাথ ঘোষ বাম আমল থেকে মোহিনীগঞ্জ মিনি ব্যাঙ্কের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার ছিলেন। ওই ব্যাঙ্কেরই বিন্দোল ব্রাঞ্চের ম্যানেজার ছিলেন কৃষ্ণপুরের গোপাল মালাকার। এঁরা দুজনে মিলে চালকলের ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন। সেই সূত্রে মাবুদ আলি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেবেন্দ্রনাথ রায়ের আলাপ করায় গোপাল মালাকার। আবার আবুদের মাধ্যমে ইংরেজ বাজারের নিলয় সিনহার সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল দেবেন্দ্রনাথ রায়ের। ব্যবসা শুরু করতে মাবুদের মাধ্যমে নিলয় সিনহাকে প্রায় দেড় কোটি টাকা দিয়েছিলেন দেবেন্দ্রনাথ রায়। রায়গঞ্জের সম্পত্তি বন্ধক রেখে নাবার্ড থেকে আরও ২৫ লক্ষ টাকা ধার নিয়েছিলেন।

মিনি ব্যাঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
২০১৬ সালে মোহিনীগঞ্জ ব্যাঙ্কতের ১ কোটি ৩৭ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল দেবেন্দ্রনাথ রায়ের বিরুদ্ধে

প্রচুর ধার শোধ করতে না পেরে হতাশা
মোটা টাকার ক্ষতি ও বাজারে ঋণ থাকায় গত ৫-৬ মাস ধরে হতাশায় ভুগছিলেন বিধায়ক। অভিযোগ বারবার চেষ্টা করেও নিলয় সিনহার সঙ্গে তিনি যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। মাবুদ আলিই টাকা উদ্ধারের একমাত্র ভরসা হয়ে ওঠেন। মৃত্যুর দিন বিধায়ক একাধিকবার মাবুদ আলির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।












Click it and Unblock the Notifications