ভোট প্রচারে উস্কানির অভিযোগে এফআইআর পুলিশের, পাল্টা হাইকোর্টে মিঠুন
হাইকোর্টের (calcutta high court) দ্বারস্থ হলেন অভিনেতা তথা বিজেপি (bjp) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (mithun chakraborty)। গতমাসে কলকাতা পুলিশের তরফে মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। মিঠুনের দাবি এই এফআইআর (
হাইকোর্টের (calcutta high court) দ্বারস্থ হলেন অভিনেতা তথা বিজেপি (bjp) নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (mithun chakraborty)। গতমাসে কলকাতা পুলিশের তরফে মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। মিঠুনের দাবি এই এফআইআর (fir) রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

বিজেপির সমাবেশে ডায়লগ
প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেডের সমাবেশে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেখানে জনগণ তাঁর কাছে ডায়লগ শুনতে চেয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, আমি জলঢোঁড়াও নই, বেলেবোড়াও নই, আমি জাত গোঘরো, এক ছোবলেই ছবি। তাতেই উদ্দেলিত হয়েছিল জনগন। এরপর মারব এখানে... ডায়লগ। অর্ধেকটই উচ্চারণ করেছিলেন। এরকম হয়েছিল আরও অন্য জায়গাতেও।

ভোট পরবর্তী হিংসা
এদিকে ভোটের ফলে ধরাশায়ী হয় বিজেপি। ফল ঘোষণার দিন থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার খবর আসতে থাকে। বেশিরভাগটাই তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির অভিযোগ। হিংসার কারণ খুঁজতে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর ডায়লগ সামনে চলে আসে।

কলকাতা পুলিশের এফআইআর
প্রথমে ৬ মে মানিকতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল তৃণমূল প্রভাবিত সংগঠন সিটিজেন্স ফোরাম। তাতে অভিযোগ করা হয়েছিল মিঠুন ভোটের প্রচারে যেসব সংলাপের কথা বলেছিলেন, তাতে হিংসার উসকানি ছিল। এরপর থানা কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার শিয়ালদহ আদালতে যান মৃত্যুঞ্জয় পাল নামে এক ব্যক্তি। আদালত রিপোর্ট তলব করার পরেই কলকাতা পুলিশের তরফে এফআইআর দায়ের করা হয়। পুলিশের তরফে ১৫৩এ, ৫০৪, ৫০৩ এবং ৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। এর মধ্যে ৫০৫ ধারা জামিন অযোগ্য।

হাইকোর্টের দ্বারস্থ মিঠুন
নিজের বিরুদ্ধে হওয়া এফআইআর খারিজের দাবি নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশেই তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে। তবে শুধু মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেই নয়, রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ভোট প্রচারের সভায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications